অভিশপ্ত বাড়িতে এসে, অসহায় কিশোরীর পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন বিধায়ক সুভাষ চন্দ্র পাঁজা
গতকাল বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে কেড়ে নিয়েছিল বাবা-মা ও না বালক ভাইকে। গত শনিবার ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় হলদিয়া কুমারপুর গ্রামের বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এ…
অভিশপ্ত বাড়িতে এসে, অসহায় কিশোরীর পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন বিধায়ক সুভাষ চন্দ্র পাঁজা
গতকাল বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে কেড়ে নিয়েছিল বাবা-মা ও না বালক ভাইকে। গত শনিবার ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় হলদিয়া কুমারপুর গ্রামের বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই চরম বিপদের দিনে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী কিশোরী জিশা পারভীনের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিলেন বিধায়ক সুভাষচন্দ্র পাঁজা।মর্মান্তিক ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল পেশায় পুলকার চালক সিরাজ মল্লিক ৪৫ স্ত্রী আলেয়া বিবি ৪২ তাদের 12 বছর বয়সে পুত্র আনাস আলম মল্লিক। জানা যায় আবাস যোজনার আর্থিক সহায়তায় বাড়ি তৈরি করার নতুন বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ কে কাজ করেছিলেন সিরাজ বাবু। আচমকায় তারের সঙ্গে জড়িয়ে মাটিতে লুকিয়ে পড়েন, স্বামী কে বাঁচাতে ছুটে আসে আলিয়া বিবি বয়স ৪২। মরণ ফাঁদ থেকে স্বামীকে মুক্ত করতে গিয়ে স্পর্শ করার মাত্রই তিনি সংজ্ঞাইনে পাশে পড়ে যান চোখের সামনে মা-বাবাকে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখে তাদের দুজনকে বাঁচাতে ছুটে আসে ১২ বছরের নাবালক সন্তান আনাস। প্রতিবেশীরা এসে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে খবর পেয়ে ভবানীপুর থানার পুলিশ তিনজনকে উদ্ধার করে হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাদের কে মৃত ঘোষণা করেন। রবিবার ১৯ শে জুলাই সকালে শোকাহত পরিবারের বাড়িতে যান প্রশাসনের কর্তারা একমাত্র জিশা ছাড়া পরিবারের আর কেউ বেঁচে নেই এই অসহায় নাবালিকা বর্তমানে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার অসহায় মেয়েটি ভবিষ্যতের পড়াশোনা যাতে কোন রকমে খামন্তি না থাকে তার সমস্ত রকম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তিনি নিজেই নেবেন।

No comments