আজাদ হিন্দ নগরে পূরীর আদলে রথযাত্রায় মহা প্রসাদ সেবনগত ২৯ শে জুন মহাস্নানযাত্রা থেকে জগন্নাথ বলরাম মাতা সুভদ্রা অন্তরালে ছিলেন ১৬ই জুলাই অন্তরাল থেকে সকালের সামনে এসে রথের চড়ে পথ পরিক্রমায় বেরিয়ে পড়েছিলেন মাসির বাড়ি গন্ডিচা…
আজাদ হিন্দ নগরে পূরীর আদলে রথযাত্রায় মহা প্রসাদ সেবন
গত ২৯ শে জুন মহাস্নানযাত্রা থেকে জগন্নাথ বলরাম মাতা সুভদ্রা অন্তরালে ছিলেন ১৬ই জুলাই অন্তরাল থেকে সকালের সামনে এসে রথের চড়ে পথ পরিক্রমায় বেরিয়ে পড়েছিলেন মাসির বাড়ি গন্ডিচা বাড়ির উদ্দেশ্যে। সেখানেই পূজা অর্চনা মহাপ্রসাদ ভোগ নিবেদন চলছে।
হলদিয়া আজাদ হিন্দ নগর উন্নয়ন সমিতির উদ্যোগে তাদের এই রথযাত্রা উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন মহা ভোগ এলাকা ভক্ত দের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং প্রত্যেকদিন কয়েক হাজার ভক্ত রাতে মহা প্রসাদ সেবন করে। আগামী শুক্রবার ফেরত রথ পর্যন্ত চলবে এই মহাপ্রসাদ সেবন ও নরনারায়ন সেবা। প্রতিদিনই বিভিন্ন পদ সহকারে মহাপ্রসাদ নিবেদন করা হয় জগন্নাথ বলরাম মাতা সুভদ্রার জন্য আজ সমস্ত ভক্তদের জন্য পদ্ম পাতার ভোগ সেবন করানো হয়।
প্রসঙ্গত,শিল্প শহর হলদিয়া নগর উন্নয়নের সাথে গড়ে উঠেছে হলদিয়া আজাদ হিন্দ নগর ২০১৭ সালে ২০ শে মার্চ ভবতারিণী শ্রীমৎ দক্ষিণা কালী মন্দিরে বিরাজ করছেন সংকটমোচন হনুমানজী রয়েছেন গ্রহরাজ শনিদেবতা (বড় ঠাকুর)। বিরাজ করছেন দেবাদীদেব মহাদেব, রয়েছেন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা। এই রথ আজাদ হিন্দ নগরের পরিবারের রথ নামে পরিচিত। জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন পুরীর থেকে আগত সাতজন ব্রাহ্মণ দ্বারা নারায়ণ শিলার উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা প্রায় পাঁচ দিন ধরে মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অধিষ্ঠিত হয়েছেন ২০২৩ সালে ৩০ শে মে এই মন্দিরে প্রতিষ্টিত হয়েছেন জগন্নাথ। জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা, আগে ওই এলাকার বিশিষ্ট অমিত মুখার্জির বাড়িতেই থাকতেন। আজাদ হিন্দ নগরের মা ভবতারিণী মন্দিরের পাশাপাশি জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা কে রাখা হয়েছে। আজ রত্ন সিংহাসন ছেড়ে রাজপথে বেরিয়ে পড়বেন জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা, কথিত আছে যারা মন্দিরে গিয়ে প্রভুকে দর্শন করতে পারেন না তাদের জন্যই প্রভু নিজেই দর্শনের দেওয়ার জন্যই এই রাজপথে বেরিয়ে পড়েন এবং আগামী এক সপ্তাহ মাসির বাড়িতে থাকবেন মাসির বাড়ি থেকে পুনরায় তিনি এক সপ্তাহ পরে ফিরবেন। মাসির বাড়িতেই এক সপ্তাহ ধরে পূজা অর্চনা ধর্মীয় আলোচনা বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। মন্দির সূত্রে জানা যায়, এক সপ্তাহ ধরে ভোগ প্রসাদ প্রভুকে নিবেদন করার পর উপস্থিত সমস্ত ভক্তদের বিতরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন মন্দিরের সেবাইত সদস্য ও সদস্যা মৌ মুখার্জী, সুকর্ণ কান্তি দাস, দেবপ্রসাদ ফধিকার এবং গোপাল প্রসাদ দত্ত প্রমূখ।

No comments