Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

বন্যা সমস্যা সমাধানে অবিলম্বে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শ্বেতপত্র প্রকাশ করে পূজোর পরেই মাস্টার প্ল্যানের প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরুর দাবীতে মূখ্যমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি

ঘাটালের ফি বছরের বন্যা সমস্যা সমাধানে অবিলম্বে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শ্বেতপত্র প্রকাশ করে পূজোর পরেই মাস্টার প্ল্যানের প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরুর দাবীতে মূখ্যমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপিসংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: সাম্প্রতিক ঘূর…

 



ঘাটালের ফি বছরের বন্যা সমস্যা সমাধানে অবিলম্বে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে শ্বেতপত্র প্রকাশ করে পূজোর পরেই মাস্টার প্ল্যানের প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরুর দাবীতে মূখ্যমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি

সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় অর্ণব এর পরিপ্রেক্ষিতে নিম্নচাপজনিত অবিরাম বর্ষণে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটালে বেশ কিছু এলাকায় ফের বন্যা ও বিস্তীর্ণ অংশ জলবন্দী হয়েছে। সেই অর্থে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কোথাও নদী বাঁধ না ভাঙলেও  মহকুমার বিভিন্ন ব্লকগুলিতে ভয়াবহ জলবন্দী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঘাটালের একটি নির্দিষ্ট এলাকাতে তিনবার বন্যা হয়েছে। ওই পরিপ্রেক্ষিতে আজ ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে ঘাটালের বীরসিংহে মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্র ও রাজ্যের উদ্যোগে মাস্টার প্ল্যান রূপায়নের ঘোষণা ও প্রথম ধাপে ১২০০ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ করার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে আট দফা দাবী সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়। প্রতিনিধিদলে ছিলেন,কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক,কার্যকর সভাপতি সত্যসাধন চক্রবর্তী,সহঃ সম্পাদক অঞ্জন জানা,জগবন্ধু মাজী, সুব্রত মাজী, রবীন ভৌমিক প্রমুখ।

          নারায়নবাবুর অভিযোগ,শিলাবতী নদী দীর্ঘদিন মজে থাকার কারণে এই বিপত্তি। পূর্বতন সরকারের আমলে ওই নদী "নো কস্ট" পদ্ধতিতে সংস্কারের  উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বাস্তবে ওই পদ্ধতিতে কাজ করার কারণে এক বছরে ৫০০ মিটার অংশ সংস্কার হয়নি। ফলস্বরূপ এই ভয়াবহ সমস্যার মধ্যে পড়তে হল মহকুমার লক্ষাধিক বাসিন্দাদের।

          স্মারকলিপিতে যে দাবীগুলি তুলে ধরা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ১) ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ সুষ্ঠুভাবে রূপায়ণের স্বার্থে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে তদারকি কমিটি গঠন করে অতি সত্বর একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের মাধ্যমে সেচ দপ্তরের সিডিউল অনুযায়ী শিলাবতী নদীর নিম্নাংশ সংস্কার ২) নো কস্ট পদ্ধতি বাতিল করে পূর্বের পদ্ধতিতে শিলাবতীর নিম্নাংশের যে ২৩ কিলোমিটার অংশ সংস্কার করার কথা সেই অংশে সেচ দপ্তর কর্তৃক সরকারি জায়গা চিহ্নিতকরণ করে দপ্তরের কাটিং চার্ট অনুযারী যতটা খাল সংস্কার হবে তা অবিলম্বে মার্কিং করে দেওয়া ৩) নদী ও খাল সংস্কারের মাটি থেকে দুর্বল নদীবাঁধ অংশ সহ নদীর যেদিকে বাঁধ নেই বললেই চলে,সেই দিকে শক্তপোক্ত বাঁধ নির্মাণ ৪) সিডিউল অনুযায়ী ঠিকাদার ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা দেখভাল করার জন্য গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা ভিত্তিক তদারকি কমিটি গঠন ৫) চন্দ্রেশ্বর খালকে শিলাবতীর সঙ্গে সংযুক্তিকরন,পাম্প হাউস ও ডোয়ার্ফ ওয়াল নির্মাণ সহ মাস্টার প্লানের প্রথম পর্যায়ের বাকী কাজগুলিকে ধাপে ধাপে হাত দেওয়া 

৬) শিলাবতী নদীর উপর সাহেবঘাট ও রূপনারায়ন নদের উপর বন্দর এলাকায় একটি কংক্রিট ব্রীজ নির্মাণ সহ গুরুত্বপূর্ণ যে স্থানগুলিতে বাঁশ বা কাঠের ব্রীজ রয়েছে,সেগুলি দ্রুততার সাথে ধাপে ধাপে কংক্রিটের ব্রীজে রূপান্তর প্রভৃতি। 

        মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া স্মারকলিপি খোলা চিঠি আকারে কমিটির পক্ষ থেকে সমাবেশস্থলে উপস্থিত জনসাধারণ ঘাটালের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড ও পাঁশকুড়া বাসস্ট্যান্ডে জনসাধারণের মধ্যে মধ্যে বিলি করা হয়।


        


No comments