হাইকোর্টে জামিন মঞ্জুর হলেও দুটি আদালতে ছাড়পত্র না পাওয়ায় মঙ্গলবার কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান হলদিয়া সংশোধনাগারেই থাকতে হয়। আজ বুধবার দুপুরের মধ্যেই তার জেল থেকে বেরোনোর সম্ভাবনা রয়েছে। বেরিয়েই বিকেল থেকে প্রচারে নামবেন …
হাইকোর্টে জামিন মঞ্জুর হলেও দুটি আদালতে ছাড়পত্র না পাওয়ায় মঙ্গলবার কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান হলদিয়া সংশোধনাগারেই থাকতে হয়। আজ বুধবার দুপুরের মধ্যেই তার জেল থেকে বেরোনোর সম্ভাবনা রয়েছে। বেরিয়েই বিকেল থেকে প্রচারে নামবেন কংগ্রেস প্রার্থী। গত ১৭ ই সেপ্টেম্বর চন্ডিপুর হোটেল থেকে মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করে সেখানকার আর পুলিশ। ১৮ তারিখ মনোনয়ন প্রত্যাহারে শেষ দিন ছিল প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা পূর্ব মেদিনীপুর পর্যবেক্ষক সুভাশিষ ভট্টাচার্যের অভিযোগ পুলিশ মিলনের সঙ্গে তাকেও চন্ডিপুর হোটেল থেকে তুলেছিল তারপর মন্দারমনির রিসোর্ট আটকে সেখানে পার্থ প্রত্যাহারের চাপ দেওয়া হয় কিন্তু মিলন সেই চাপের নতি শিকার না করা তাকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে ওই অভিযোগ নস্যাৎ করা হয় মোট ছয়টি কেসে মিলনকে গ্রেফতার করা করে আদালত রিপ্লেস করেছিল পুলিশ তার মধ্যে নন্দীগ্রামে থানার চারটি কেস হলদিয়া কোর্টে পেশ করা হয় আর খেজুরি থানার দুটি কেস কাঁথি এসিজেম কোর্টে হাজির করে পুলিশ। জিল হেফাজতে থাকাকালীন প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব তার জামিনের জন্য আইনি লড়াই চালিয়েছিল। মঙ্গলবার হাইকোর্টে তাকে ২০ শে অক্টোবর পর্যন্ত অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে। তারপরের দিন একুশে অক্টোবর তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। সেই সঙ্গে দিনের দুবার পুলিশকে নিজের অবস্থান জানাতে হবে। অন্তর্বর্তী এই জামিনের খুশি কংগ্রেস কর্মীরা। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হলদিয়া আদালত চত্বরে ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের ২ সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস ভট্টাচার্য ও পার্থ ভৌমিক। ছাড়াও প্রার্থীর চিপ ইলেকশন এজেন্ট সুব্রত মহাপাত্র জেলা সভাপতি সনদ বটব্যাল নন্দীগ্রাম এক ব্লক কংগ্রেস সভাপতি সেখ আশরাফুল্ল প্রমূখ।। সুব্রত বাবু বলার আমরা মঙ্গলবারই মিলনকে সংশোধনাগার থেকে বের করার প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সেরে ফেলার চেষ্টা করা হয় হলদিয়া কোর্ট থেকে ওই কাজ সম্পন্ন হলেও কাচি আদালত থেকে রিলিজ অর্ডার বের করা যায়নি। যে কারণে যে কারণে বুধবার দুপুর নাগাদ মিলন সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে আসবেন বুধবার থেকেই তাকে নিয়ে আমরা নন্দীগ্রামে প্রচারে নামব। নন্দীগ্রাম উপ নির্বাচনে কংগ্রেসকে আটকাতে নানা চেষ্টা করেছে বিজেপি। প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে ১৯ বছরের পুরনো মামলায় প্রার্থীকে জেলে পাঠিয়েছে একটার পর একটা কেস যুক্ত করে তাকে আটক আটকে রাখার চেষ্টা করেছে শেষ পর্যন্ত আমরা প্রচারে মিলনকে পাচ্ছি এই লড়াইয়ে বিজেপিকে আমাদের শক্তি সম্পর্কে বুঝিয়ে দেব।

No comments