নন্দীগ্রাম থানার বড় সাফল্য, উদ্ধার ডাকাতি হয়ে যাওয়া কয়েক লক্ষ টাকার গহনা সহ অন্যান্য সামগ্রী,গ্রেপ্তার সাত
নন্দীগ্রাম: টানা বর্ষার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাড়ির বয়স্কা স্বামী স্ত্রীকে আটকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বাড়ির মধ্যে থাকা সোনার…
নন্দীগ্রাম থানার বড় সাফল্য, উদ্ধার ডাকাতি হয়ে যাওয়া কয়েক লক্ষ টাকার গহনা সহ অন্যান্য সামগ্রী,গ্রেপ্তার সাত
নন্দীগ্রাম: টানা বর্ষার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাড়ির বয়স্কা স্বামী স্ত্রীকে আটকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বাড়ির মধ্যে থাকা সোনার, রুপোর গহনা, নগদ টাকা সহ অন্যান্যরা সামগ্রী নিয়ে চম্পট দেয় ডাকাত দল। তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন রাজ্য থেকে পুলিশের জালে সাতজন। উদ্ধার হয়েছে ডাকাতি হয়ে যাওয়া সোনা রুপা সহ অন্যান্য সামগ্রী। বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রাম থানায় সাংবাদিক বৈঠক করে ডাকাতি ও ডাকাতির পরের ঘটনা জানালেন পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা। তিনি জানান, " গত ৬ ও ৭ ই জুলাই নন্দীগ্রাম থানার বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের মঙ্গলচক গ্রামে রাত্রি প্রায় দেড়টা নাগাদ সনৎ দাসের বাড়িতে ১০ জনের একটি ডাকাতের দল ভারি বৃষ্টির সময় বাড়ির দরজা তালা ভেঙ্গে ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে সনৎ দাস ও তাঁর স্ত্রীকে আটকে রেখে ১০৩ গ্রাম সোনার গহনা,রুপোর গহনা, নগদ লক্ষাধিক টাকা এবং বাড়ির অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায়। বাড়িটি ফাঁকা জায়গায় হওয়ায় প্রতিবেশীরা কেউ কিছু বুঝতে পারেনি। পরে পুলিশ খবর পেয়ে বাড়িতে যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ, মানুষজনের সাথে কথা এবং বাড়ির সদস্যদের কথা বলে জানা যায় ১০ জনের একটি ডাকাতের দল যাদের মধ্যে ৭ জন লাঠিসোঁটা, ভোজালি ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করে বাকি ৩ জন নজদারির কাজ করে। পুলিশ তদন্তে নেমে তামিলনাড়ুর চেন্নাই থেকে ডাকাত দলের মূল মাথাকে এবং জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে বাকি ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ডাকাতি প্রায় অধিকাংশই সামগ্রী উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি এই কাজের সাথে আর যারা যুক্ত তাদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা এর আগেও ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।
নন্দীগ্রাম থানা ও জেলা পুলিশের এই ধরনের ঘটনার অল্প সময়ে মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ডাকাতির প্রায় সমস্তকিছু উদ্ধার হওয়ায় পুলিশের উপর আস্তা বাড়ছে সাধারণ মানুষের। খুশি এলাকার মানুষ।

No comments