কৃষকের ঘরে জমে থাকা বোরো মরশুমের ধান সরকারী সহায়ক মূল্যে ক্রয় করার দাবীতে খাদ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কৃষকের ঘরে জমে থাকা বোরো মরশুমের ধান অবিলম্বে সরকারী সহায়ক মূল্যে ক্রয় …
কৃষকের ঘরে জমে থাকা বোরো মরশুমের ধান সরকারী সহায়ক মূল্যে ক্রয় করার দাবীতে খাদ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কৃষকের ঘরে জমে থাকা বোরো মরশুমের ধান অবিলম্বে সরকারী সহায়ক মূল্যে ক্রয় করার দাবীতে আজ কৃষকদের সংগঠন কৃষক সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়াকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ওই স্মারকলিপির প্রতিলিপি জেলা শাসক,জেলা পরিষদের সভাধিপতি,জেলা খাদ্য দপ্তরের নিয়ামককেও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্মারকলিপিতে কৃষক সংগ্রাম পরিষদের সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক,গতকালই খাদ্যমন্ত্রী দপ্তরের পক্ষ থেকে ধানের সহায়ক মূল্য কুইন্টাল পিছু ২০০ টাকা বাড়ানো যে ঘোষণা করেছেন,সেজন্য সাধুবাদ জানিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কৃষকদের বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তা হোল- পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কৃষকদের কাছ থেকে চলতি বছরের বোরো মরশুমের কোন ধান ক্রয় করছে না খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর। ওই দপ্তরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন ,জেলার জন্য ধান ক্রয়ের যে কোটা ছিল-খরিফ মরশুমেই সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে গেছে। ফলস্বরূপ বহু কৃষক ওই ধান বিক্রি করতে না পেরে চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। অনেকেই ওই চাষের জন্য নেওয়া সার-বীজ-কীটনাশক সহ নানা খরচ শোধ করতে পারছেন না। সেজন্যে ফড়েদের কাছে মাত্র ১৬৫০ থেকে ১৭০০ টাকা কুইন্টাল দরে ওই মরশুমের ধান বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। যেখানে ওই ধানের বর্তমানে সরকারী সহায়ক মূল্য ২৩৮৯ টাকা প্রতি কুইন্টাল।
নারায়নবাবু ক্ষুদ্র কৃষকদের স্বার্থে অতি সত্বর চাষীদের কাছ থেকে সরকারী সহায়ক মূল্যে যাহাতে গত বোরো মরশুমের ওই ধান কেনার ব্যবস্থা করা যায়,সেজন্য মন্ত্রীকে আবেদন জানিয়েছেন।

No comments