প্রশাসনের উদ্যোগে হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে অগ্নিকাণ্ডের পর বিপর্যয় মোকাবিলার অফসাইড ইমার্জেন্সি প্ল্যান কমিটি গঠন হলশিল্পাঞ্চলের অগ্নিকাণ্ডের পর বিপর্যয় মোকাবিলার এবার অফসাইড ইমার্জেন্সি প্ল্যান কমিটি গঠন হলো।শিল্পাঞ্চলের অগ্নিকাণ্ড…
প্রশাসনের উদ্যোগে হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে অগ্নিকাণ্ডের পর বিপর্যয় মোকাবিলার অফসাইড ইমার্জেন্সি প্ল্যান কমিটি গঠন হল
শিল্পাঞ্চলের অগ্নিকাণ্ডের পর বিপর্যয় মোকাবিলার এবার অফসাইড ইমার্জেন্সি প্ল্যান কমিটি গঠন হলো।শিল্পাঞ্চলের অগ্নিকাণ্ডের পর বিপর্যয় মোকাবিলার এবার অফসাইড ইমার্জেন্সি প্ল্যান কমিটি গঠন হলো। হলদিয়া অগ্নিকাণ্ডের পর শিল্পাঞ্চলে বিপর্যয় মোকাবেলায় এবার অফসাইড এবার জেন্সি প্ল্যান তৈরি করার উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন জেলাশাসকের নির্দেশে ওই প্ল্যান তৈরির জন্য আরও ডব্লু অর্থাৎ রাইট অফ ওয়ে ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠিত হয়েছে। প্রশাসন ও শিল্প সংস্থার সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে আরও ডবলু কমিটি। হলদিয়া ও কোলাঘাট জেলার দুই শিল্পাঞ্চলের জন্য তৈরি হয়েছে ওয়েবসাইট ইমারজেন্সি প্ল্যান। মঙ্গলবার ৭ ই জুলাই হলদিয়া ভবনে ডিস্ট্রিক্ট ক্রাইসিস গ্রুপের এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিন জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার নেতৃত্বে হলদিয়া সহ জেলার ৩৮ টি শিল্প সংস্থাকে নিয়ে ওই মিটিং হয়। হলদিয়া অমনি কাণ্ডের জেরে মহিলা শিশুসহ কুড়িজন অগ্নিদগ্ধ হন। ওই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু হয়েছে। কলিকাতা চিকিৎসাধীন ১০ জন রয়েছেন। দাহ্য পেট্রোলিয়াম জাত পণ্যের পাইপ লাইনে নিকেশ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। অগ্নিকাণ্ড ৩০ শে জুন থেকে শুরু হয়েছিল তারপর থেকেই পাইপলাইনের পণ্য চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে শিল্প সংস্থাগুলির উৎপাদনের বড়সড়ো প্রভাব পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন সংস্থার আধিকারিকরা। ফলে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক। এদিনের মিটিংয়ে 8 দফা নির্দেশিকা তৈরি হয়েছে প্রথমে জেলা প্রশাসন শিল্প সংস্থাগুলির সেফটি অডিটের উপর গুরুত্ব দিয়েছে। বিশেষত হলদিয়া পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোলিয়াম জাত পণ্য নিয়ে যে সংস্থাগুলি কাজ করে। জেলাশাসক জানিয়েছেন এক মাসের মধ্যে এক মাসের মধ্যে শিল্প সংস্থাগুলিকে সেফটি অডির রিপোর্ট জমা করতে বলা হয়েছে। হলদিয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর অফ ফ্যাক্টরি কাছে। এছাড়া প্রতিটি শিল্প সংস্থার কি ধরনের ইমারজেন্সি প্ল্যান রয়েছে তাও জানাতে হবে। কারখানার ভিতরে বিষয়ে শিল্প সংস্থাগুলি দেখবে। কিন্তু কোন দুর্ঘটনা বা বিপর্যয় ধরলে কারখানার বাইরে ওই সংস্থা সমাধানের কি ব্যবস্থা নিতে পারবে তার পরিকল্পনা সবাইকে আলাদা করে জানাতে হবে। একেই সংক্ষেপে বলা হয়েছে অফসাইড ইমার্জেন্সি প্ল্যান। জেলাশাসক বলেন প্রতিটি সংস্থা আলাদা অফসাইড প্ল্যান জমা দেবে। সমস্ত বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের উদ্যোগে একটি কম্প্রিহেন্সিভ অফসাইট ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট প্লান তৈরি হবে। হলদিয়া শিল্পাঞ্চলের পেট্ররাসায়নিক বিপর্যয় মোকাবেলায় একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিও বা এসওপি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসন। হলদিয়া শিল্পাঞ্চলের জন্য প্রথম এই ধরনের একটি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান আধিকারিকরা। সেফটি অডিট ছাড়া ও শিল্প সংস্থাগুলির ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম কি ধরনের এবং কতগুলি দমকলের ইঞ্জিন রয়েছে তাও জানাতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এবার থেকে বিপর্যয় মোকাবেলায় হলদিয়ায় পুলিশ শিল্প সংস্থার নাইট পেট্রলিং চালু হচ্ছে। এছাড়াও শহর জুড়ে থাকা শিল্পের পাইপ লাইনের নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরাও লাগানো হচ্ছে বিভিন্ন কৌশলগত এলাকায়। এজন্য পুলিশ ও শিল্প সংস্থাগুলির যৌথ নজরদারি ব্যবস্থা করবে। শিল্প শহরে অফসাইড এমার্জেন্সি প্ল্যান দেখভালের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আর ও ডব্লু কমিটির উপর। ওই কমিটির মাথায় রয়েছেন হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার। এছাড়াও সদস্য সচিব রয়েছেন মহকুমার শাসক, অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর অফ ফ্যাক্টরি ও এসডিপিও। এদিন শিল্প সংস্থাগুলির অভিযোগ করেছে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ পাইপ লাইনের উপর ঝুপড়ি তৈরি করে আগুন জ্বালানো হয়। এমনভাবে দখলদাররা এলাকায় বসবাস করছে। সেখানে নজরদারির জন্য কোনভাবেই পৌঁছানো যায় না। বারবার এফ আই আর করেও সমাধান মেলেনি। এদিন জেলাশাসক বলেন বিপদজনক এলাকায় বসবাসকারী মানুষজনদের জীবন বাঁচানোর স্বার্থেই তাদের সরানো হবে। বিপদজ্জনক এলাকায় কোনভাবেই প্রশাসন আর তাদের বসবাস করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে আইপিপিএল সংস্থার এক পদস্থ আধিকারিক বলেন অগ্নিকান্ডের জেলে পাইপ লাইন বন্ধ থাকায় উৎপাদন কমে গিয়েছে তবে এর জন্য রান্না গ্যাসের কোন সংকট হবে না।

No comments