হলদিয়ায় হুগলি নদীর মাটি চুরির অভিযোগ করলেন- বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী
ভাটা পড়তেই নদী থেকে দেদার মাটি কেটে তুলে নেওয়া হচ্ছে। সেই মাটি যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। দিনেদুপুরে নদীর বুক থেকে মাটি চুরি নিয়ে বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ। কিন্তু…
হলদিয়ায় হুগলি নদীর মাটি চুরির অভিযোগ করলেন- বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী
ভাটা পড়তেই নদী থেকে দেদার মাটি কেটে তুলে নেওয়া হচ্ছে। সেই মাটি যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। দিনেদুপুরে নদীর বুক থেকে মাটি চুরি নিয়ে বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ। কিন্তু প্রশাসনের নাকের ডলার দিন দুপুরে চুরি হয়ে যাচ্ছে মাটি। বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী দাবি, অবৈধ মাটি চুরিতে যোগ রয়েছে প্রশাসনে । সর্ষের মধ্যে ভূত দেখা যাচ্ছে। নির্বাচনের পরে এখনো অনেকেই জামা পরিবর্তন করে দলে এসেছেন আর তাদের এই ধরনের দুষ্কৃতীদের কাজ করে চলছে। কিছু ইটভাটার মালিক হলদিয়ায় হুগলি নদীর পাড় ঘেঁষে রয়েছে সুতাহাটা ব্লকের রামনগর গ্রাম। ওই এলাকায় হুগলি নদীর বাঁধ বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই মাটি তোলার মেশিন বসিয়ে নদীগর্ভ থেকে মাটি কাটে নিয়েছে বলে অভিযোগ।
সূত্রে জানা যায়, ঐ এলাকায় অন্ততপক্ষে ১০-১৫টি ইটভাটা রয়েছে। ওইসব ভাটায় ইট তৈরি করার জন্য হুগলি নদী থেকে অবাধে মাটি কাটা হচ্ছে। যেখান মাটি কাটা হচ্ছে তার ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ভাটাগুলো। স্থানীয়দের অভিযোগ,MBW ভাটা মাটি কাটার সঙ্গে যুক্ত। ভাটা মালিকদের সঙ্গে তৃণমূল নেতারা জড়িত? নদী গর্ভ থেকে মাটি কাটার জন্য কোন অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর। এতে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি হচ্ছে। আবার নদী বাঁধ ধসে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে বলে দাবি এলাকার বাসিন্দাদের।কারন, প্রতি বছর বর্ষাকালে এড়িয়াখালি রামনগর এলাকায় হুগলি নদী ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। বাঁধের একাংশ ভেঙে তলিয়ে যায় নদীগর্ভে। স্থানীয়দের দাবি, গত আড়াই দশকে অন্তত ৬০ বিঘার বেশি চাষের জমি নদীতে তলিয়ে গিয়েছে।" এবিষয়ে অভিযোগ পেতে হলদিয়ার বিধায়ক আজ নিজে ওই এলাকা ঘুরে দেখেন এবং অভিযোগ করার আগামী দিনে প্রশাসনকে জানিয়ে এর ভাটার বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে তিনি বলেন। তিনি অবিলম্বে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন সামনে বর্ষা এভাবেই যদি মাটির দিন দুপুরে চুরি হয়ে যায় তাহলে এই এলাকার মানুষরা বিপদে পড়বে বৃষ্টি হলেই এই এলাকায় বন্যা নেবে আসবে তাই অবিলম্বে এই এলাকার মাটি কাটা বন্ধ হোক এবং স্থায়ী নদী বাঁধ বাঁধার তিনি আশ্বাস দিলেন।
No comments