ভয়ানক বজ্রপাতে কোলাঘাট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিন নম্বর ইউনিটটি ভষ্মীভূতউপযুক্ত তদন্ত সহ বজ্রনিরোধক ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার দাবী।গতকাল ১৮ জুন সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ বজ্রপাতে কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিন নম্বর ইউনিটের টারবাইন …
ভয়ানক বজ্রপাতে কোলাঘাট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিন নম্বর ইউনিটটি ভষ্মীভূত
উপযুক্ত তদন্ত সহ বজ্রনিরোধক ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার দাবী।
গতকাল ১৮ জুন সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ বজ্রপাতে কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিন নম্বর ইউনিটের টারবাইন রুমের ছাদ ভেঙে গিয়ে মুহূর্তের মধ্যে টারবাইনে আগুন লেগে যায়। এবং দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনের লেলিহান শিখা বের হতে দেখে চারপাশে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। এর ফলে তিন নম্বর ইউনিটের টারবাইন,কন্ট্রোল রুম,ব্রয়লার প্রভৃতি ভষ্মীভূত হয়ে যায়। তবে বড়সড় কোন দুর্ঘটনা না ঘটলেও ওই ঘটনায় দুজন সামান্য আহত হয়েছে। তারা হলেন স্বর্ণকমল বর্মন ও কমল মন্ডল। ওই আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে দুর্ঘটনাস্থলের অংশটি নিরাপত্তাকর্মী দিয়ে ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। বজ্রপাতের গগনবেদী শব্দে ওই সময় মেছেদার গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বজ্র-নিরোধক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও কি করে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটলো তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
ওই প্রসঙ্গে কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ কমিটির মুখপাত্র নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,প্রথম পর্যায়ের তিনটি ইউনিট থেকে এলাকায় ব্যাপক দূষণ ছড়ানোর অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ এক ও দু নম্বর ইউনিটটি ভেঙে দিয়েছিল ২০২৪ সালে। তৃতীয় ইউনিটটি প্রায় ১৫০-২০০ কোটি টাকা খরচ করে দূষণ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা সহ সংস্কার করেছিল কর্তৃপক্ষ। সেই ইউনিটটিও গতকালকের ঘটনায় প্রায় সম্পূর্ণরূপে ভষ্মীভূত হল। আমরা বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বজ্রপাতের ঘটনায় ওই ইউনিটটির পুড়ে যাওয়ার বিষয়ে উপযুক্ত তদন্তের দাবী করছি।
পাশাপাশি অন্যান্য ইউনিট গুলির বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা আরো সক্রিয় করা সহ ওই ইউনিটি নতুন করে নির্মাণের দাবী জানাচ্ছি।

No comments