হলদিয়া ও নন্দীগ্রাম মানুষের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে চলছে?হলদিয়া কেন্দে মারি সেতুর ড্রয়িং জমা হয়েছে -বিধায়ক প্রদীপ । হলদিয়া মহকুমারের অংশ হলদি নদীর ওপারে নন্দীগ্রাম। নন্দীগ্রামকে হলদিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য বাম আমল থেকেই …
হলদিয়া ও নন্দীগ্রাম মানুষের দীর্ঘদিনের আশা পূরণ হতে চলছে?
হলদিয়া কেন্দে মারি সেতুর ড্রয়িং জমা হয়েছে -বিধায়ক প্রদীপ । হলদিয়া মহকুমারের অংশ হলদি নদীর ওপারে নন্দীগ্রাম। নন্দীগ্রামকে হলদিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য বাম আমল থেকেই দাবি উঠে এসেছিল। হলদিয়া শিল্পাঞ্চল গড়ে ওঠার সাথে সাথেই নন্দীগ্রামে শিল্প স্থাপনের জন্য অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন বামফ্রন্ট সরকার। কিন্তু ২০০৭ সাল থেকেই শুরু হয় ভূমি রক্ষার আন্দোলন, স্লোগান উঠে রক্ত দেবতো জমি দেবনা। আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতেই সারা ভারতবর্ষের মানুষ সংগ্রামী নন্দীগ্রাম হিসেবে চিহ্নিত। সেই আন্দোলনের ফলে রাজ্যের পালাবদল। বাম জমানার অবসান রাজ্যে হাত গোড়াতে হয়েছিল বামফ্রন্ট সরকারকে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস, সেই সময় কালে পরিবহন মন্ত্রী ছিলেন বর্তমান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তিনি হলদিয়া কেন্দে মারী ফেরী সার্ভিসের জন্য জেটিঘাটের সংস্কার করেছিলেন। তিনিও দাবি করেছিলেন হলদিয়ার সঙ্গে নন্দীগ্রামকে এক করে দেওয়া। তারপর একটা দশক অতিবাহিত হয়েছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন সেই সময় কালের পরিবহনমন্ত্রী পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভূমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচন প্রাক্কালেই দাবি উঠেছিল এবং হলদিয়া বিধানসভার বর্তমান বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী নন্দীগ্রাম হলদিয়া সেতু তৈরি হবে নির্বাচনী ইশতেহারে রেখেছিলেন। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের পর তিনটি জেলার পূর্ব মেদিনীপুর পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম, প্রশাসনিক প্রথম সভা কোলাঘাট বলাকা ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় হলদিয়া নন্দীগ্রাম সেতু সংযোগ কথা আলোকপাতহয়। কি জানালেন হলদিয়া নব নির্বাচিত বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী।

No comments