Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

স্মার্ট মিটার লাগানোর চক্রান্ত প্রতিহত করতে ২রা জুন গ্রাহকদের সল্টলেকে বিদ্যুৎ ভবন অভিযানের ডাক

স্মার্ট মিটার লাগানোর চক্রান্ত প্রতিহত করতে ২রা জুন গ্রাহকদের সল্টলেকে  বিদ্যুৎ ভবন অভিযানের ডাকসংবাদদাতা নারায়ণ চন্দ্র নায়ক :কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রীর স্মার্ট মিটার এবং বিদ্যুৎ মাশুল বিষয়ক ঘোষণার তীব্র বিরোধিতা করে বিদ্যুৎ গ…

 




স্মার্ট মিটার লাগানোর চক্রান্ত প্রতিহত করতে ২রা জুন গ্রাহকদের সল্টলেকে  বিদ্যুৎ ভবন অভিযানের ডাক

সংবাদদাতা নারায়ণ চন্দ্র নায়ক :কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রীর স্মার্ট মিটার এবং বিদ্যুৎ মাশুল বিষয়ক ঘোষণার তীব্র বিরোধিতা করে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সংগঠন অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন(অ্যাবেকা)'র সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাস আজ এক প্রেস বিবৃতিতে বলেন,

" রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে গৃহস্থে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। গত ২ এপ্রিল কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন,'স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক নয়, বলপূর্বক কোথাও স্মার্ট মিটার লাগানো হবে না।' আজ পর্যন্ত রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেননি। এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী গতকাল কলকাতায় এসে বলেছেন, জুলাই মাস থেকে আবার এই রাজ্যে স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ শুরু হবে, তার দাম গ্রাহকদের মাসে মাসে ১০০ টাকা করে মিটাতে হবে, এবং বিদ্যুতের মাশুল সংস্কার ( অর্থাৎ দাম বৃদ্ধি) করা হবে। 

আমরা অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে জানাতে চাই --আমাদের রাজ্য সহ সারা দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ব্যাপক প্রতিবাদের চাপে পড়ে স্মার্ট মিটার লাগানো বন্ধ হয়েছে। আবার গ্রাহকদের টাকা লুট করার যন্ত্র স্মার্ট প্রিপেইড মিটার লাগানোর চেষ্টা হলে রাজ্যের আপামর গ্রাহকরা নিজেদের স্বার্থেই তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। অতীতে সাধারণ মানুষের আন্দোলনের চাপে বিদ্যুৎ এর মূল্যবৃদ্ধি কিছুটা কমানো সম্ভব হয়েছিল।

গত ২০১৬-১৭ বর্ষ থেকেই কয়লার দাম ৪০ শতাংশ কম, কয়লার উপর জিএসটি ৭ শতাংশ কম এবং বন্টন কোম্পানির লস ২ শতাংশ কম হওয়ার কারণে বিদ্যুতের মাশুল ৫০ শতাংশ কমানো উচিত ছিল। সেটা না কমানোর ফলে প্রতি বছর বন্টন কোম্পানির শত শত কোটি টাকা মুনাফা হচ্ছে। রাজ্যের গ্রাহকরা এর থেকে কোন সুরাহা পায়নি। এখন সংস্কার করার নাম করে আরও মাশুল বাড়ানো হলে রাজ্যবাসীর উপর তা মারাত্মক আক্রমণ হিসেবে আসবে।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় রাজ্যে একটা নির্বাচিত সরকার থাকা সত্বেও কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রীর এই ঘোষণা শুনে প্রশ্ন হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ কি একটা কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল?"


সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মন্ডলী সদস্য নারায়ণ চন্দ্র নায়ক জানান, এরই প্রতিবাদে আমরা আগামী ২ রা জুন দুপুর একটায় বিদ্যুৎ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছি। সর্বস্তরের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের  ওই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানাই।



No comments