Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

জাতীয় সড়কে কোলাঘাটের দেউলবাড়ে ক্রসিং ও বাসের স্টপেজ দেওয়ার দাবী।

১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে কোলাঘাটের দেউলবাড়ে ক্রসিং ও বাসের স্টপেজ দেওয়ার দাবী। ওই দাবীতে জেলা শাসক ও জেলা ট্রাফিক সুপারের কাছে গণস্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ।সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক(মুম্বাই রোড)'…

 




১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে কোলাঘাটের দেউলবাড়ে ক্রসিং ও বাসের স্টপেজ দেওয়ার দাবী।

 ওই দাবীতে জেলা শাসক ও জেলা ট্রাফিক সুপারের কাছে গণস্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ।

সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক(মুম্বাই রোড)'র কোলাঘাট ও পাঁশকুড়া থানার সংযোগস্থল দেউলবাড়ে ক্রসিং ও বাসের স্টপেজ দেওয়ার দাবী দীর্ঘদিনের। নাগরিক সুরক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে আজ আঞ্চলিক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সভাপতি তথা জেলাশাসক ও ট্রাফিক পুলিশের ডেপুটি সুপারের নিকট স্মারকলিপি পেশ করা হয়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কমিটির মুখপাত্র নারায়ণ চন্দ্র নায়ক,যুগ্ম সম্পাদক শুভাশিস মণ্ডল প্রমূখ।

           কমিটির মুখপাত্র নারায়ণ চন্দ্র নায়ক জানান,মুম্বাই রোডের দেউলবাড় সংলগ্ন অংশের একদিকে সিদ্ধা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর জিঞাদা,শ্রীধরবসান ও সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের দেউলবাড় গ্রামের প্রায় তিন শতাধিক পরিবারের বসবাস রয়েছে। যাদের হেঁটে-সাইকেলে-মোটরসাইকেলে বেরোনোর একমাত্র পথ-ওই জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে। দেউলবাড়ের ওই অংশ থেকে বরদাবাড়ের দূরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার,পার্শ্ববর্তী বাস স্টপেজ জিঞাদা বাজারের দূরত্ব প্রায় দেড় কিলোমিটার। ওই পরিবারগুলির ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাইকেই ওই রাস্তা দিয়ে বেরোনোর সময় কোন কোন ক্ষেত্রে অফসাইড দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সে কারণেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করার দরুন প্রায়শই ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। জাতীয় সড়ক ছয় লেনে সম্প্রসারিত করার সময় কর্তৃপক্ষ ওখানে একটি বাসস্ট্যান্ড যাতে হতে পারে,সেজন্যে বাইপাস রাস্তাও করে গিয়েছে। সর্বোপরি ওই স্থানটি ফাঁকা হওয়ার কারণে প্রায়শই চুরি-ছিনতাই-কিডন্যাপ সহ নানা ধরনের অপকর্ম সংগঠিত হয়। ওই লাগোয়া স্থানে কয়েক বছর আগে স্বর্ণব্যবসায়ী সমীর পড়িয়া খুন হয়। সেই সময় ওই স্থানে ক্রসিং সহ বাসস্ট্যান্ডের দাবী জোরালো হয়ে উঠেছিল। আশ্চর্যের বিষয়-আজও সে ব্যাপারে প্রশাসন কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করায় সম্প্রতি ওই গ্রামগুলির লোকজন মোটরসাইকেল নিয়ে অফসাইড হয়ে বরদাবাড় বাসস্ট্যান্ডে যাতায়াত করার সময় কোলাঘাট থানার ট্রাফিক পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে হাজার হাজার টাকার কেস দেয় বলে অভিযোগ। ফলস্বরূপ সমস্যায় পড়েছেন ওই ছোট গাড়ির চালকেরা। বিষয়টি নিয়েও সরব হয়েছে নাগরিক সুরক্ষা কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে স্থানীয় জনসাধারণের মতামতের ভিত্তিতে গণস্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি আজ পেশ করা হয়।



No comments