সোয়াদিঘী খালের হরশংকরে ফের বেআইনি কংক্রিটের নির্মাণ শুরু
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: তমলুক মহকুমার গুরুত্বপূর্ন সোয়াদিঘী খালের ভেতর হরশংকরে ফের বেআইনি নির্মাণ কাজ শুরু করেছে স্থানীয় হাসমত নায়েক নামে এক ব্যক্তি। গত তিনদিন …
সোয়াদিঘী খালের হরশংকরে ফের বেআইনি কংক্রিটের নির্মাণ শুরু
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: তমলুক মহকুমার গুরুত্বপূর্ন সোয়াদিঘী খালের ভেতর হরশংকরে ফের বেআইনি নির্মাণ কাজ শুরু করেছে স্থানীয় হাসমত নায়েক নামে এক ব্যক্তি। গত তিনদিন আগে খালের ভেতরের দিকেই কংক্রিট পাইলিং নির্মাণ করা শুরু করে হরশংকরে ওই বাসিন্দা। ওই পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বন্যা-ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে আজ সেচ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার,এসডিও(ইরিগেশন),জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার কে অভিযোগ জানানো হয়েছে।
সোয়াদিঘী খাল সংস্কার সমিতির উপদেষ্টা তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বন্যা-ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,গত কয়েকদিন আগে ওই খালের মহাশ্বেতায় ভূমিকম্পের জেরে ধসে যাওয়া অংশের তিনজন দোকানদার খালের ভেতরের দিকে কংক্রিটের কাঠামো তৈরি করা শুরু করেছিল। যদিও সেচ দপ্তরের হস্তক্ষেপে তৎক্ষণাৎ সেই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
নারায়ণ চন্দ্র নায়ক অভিযোগ করে বলেন, মহকুমার এই গুরুত্বপূর্ণ খাল দিয়ে পাঁশকুড়া-কোলাঘাট-শহীদ মাতঙ্গিনী ব্লকের প্রায় শতাধিক মৌজার বর্ষার জল নিকাশী হয়ে থাকে। শুধু তাই নয়,কংসাবতী নদী বাঁধ ভেঙে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলে বন্যার জলও এই খাল দিয়েই রূপনারায়ণে বের হয়। দীর্ঘদিন মজে থাকার পর এলাকার বাসিন্দাদের লাগাতর আন্দোলনের চাপে সেচ দপ্তর গত ২০২৫ সাল থেকে খাল সংস্কারে হাত দিয়েছে। 'নো কষ্ট' পদ্ধতিতে খাল সংস্কার হওয়ায় এখনো অর্ধেক অংশ পূর্ণাঙ্গ সংস্কার হয়নি। আমরা চাই-অবিলম্বে ওই নির্মাণকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাতে সরকারী জায়গায় ওই ব্যক্তি সহ আর কেউ যাতে না নির্মাণ কার্য করতে পারে, সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নিক দপ্তর।

No comments