এই মুহূর্তে চাঞ্চল্যকর খবর অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রী বোঝাই বাসবেশ কয়েক মাস আগেই ব্রজলাল চক চৈতন্যপুর রোডে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল প্রায় ড্রাইভার সহ একই পরিবারের চারজন মারা গিয়েছিলেন এবং প্রায় ১০ থেকে ১২ জন গুরুতর জখম হয়েছি…
এই মুহূর্তে চাঞ্চল্যকর খবর অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রী বোঝাই বাস
বেশ কয়েক মাস আগেই ব্রজলাল চক চৈতন্যপুর রোডে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল প্রায় ড্রাইভার সহ একই পরিবারের চারজন মারা গিয়েছিলেন এবং প্রায় ১০ থেকে ১২ জন গুরুতর জখম হয়েছিলেন। সেই ব্রজলালচক চৈতন্যপুর রোডে আজ অল্পের জন্য রক্ষা পেয়ে গেল যাত্রী বোঝাই বাস অফিস এবং স্কুল ছুটির পরেই ব্রজলালচক থেকে চৈতন্যপুর গ্রামী এই বাসটি আসছিল বাড়বাজিতপুর বালিকা বিদ্যালয়ের পাশেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঝোপের দিকে চলে যায় বাসটি ড্রাইভারের তৎপরতায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে যাত্রীরা রক্ষা পেলেন। ওই এলাকার মানুষজন বলছেন ব্রজলাল চক থেকে চৈতন্যপুর এই রাস্তা কয়েক কোটি টাকা খরচ করে খুব সুন্দর করে রাস্তা বানানো হয়েছে। ড্রাইভারদের খামখেয়ালি জন্য প্রায় দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। প্রশাসনের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি জায়গায় বড় বড় বাম্পার লাগানো হয়েছে সেই বাম্পারও খুব ভয়ানক বিশেষ করে মোটরসাইকেল সাইকেল সাইকেল আরোহীরা বিপজ্জনকভাবে পারাপার হতে হয়। বাস ও বড় গাড়ির বাম্পারের করার জন্য ছোট গাড়ি ক্ষয়ক্ষতি এবং সাধারণ মানুষদের সমস্যায় পড়তে হয়। ওই এলাকার মানুষের দাবি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচি চলছে ঠিক কিন্তু পুলিশ প্রশাসন বা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করার দরকার রয়েছে এই রোডে। সচেতনতার কাজ না করেই শুধু বাম্পার লাগিয়ে দিলেই দুর্ঘটনায় এড়ানো যায় না । ওই রুটে বাস ড্রাইভার ও হেলপারদের যেমন সচেতন করতে হবে তারই সাথেই এইরুটে জেলা প্রশাসন পুলিশ আধিকারিকদের তৎপরতা বাড়াতে হবে। সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন ওই এলাকার শিক্ষক যশোর ব্রহ্মচারী।

No comments