প্লাস্টিক মুক্ত গ্রাম পঞ্চায়েত জেলার মধ্যে দ্বিতীয়,হলদিয়া মহকুমার প্রথম
হলদিয়া মনোহরপুর হাই স্কুল মাঠে দেভোগ্রাম পঞ্চায়েত ঘোষিত হল স্বচ্ছ, আবর্জনা ও প্লাস্টিক মুক্ত দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েত।জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুরু হয়েছিল …
প্লাস্টিক মুক্ত গ্রাম পঞ্চায়েত জেলার মধ্যে দ্বিতীয়,হলদিয়া মহকুমার প্রথম
হলদিয়া মনোহরপুর হাই স্কুল মাঠে দেভোগ্রাম পঞ্চায়েত ঘোষিত হল স্বচ্ছ, আবর্জনা ও প্লাস্টিক মুক্ত দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েত।জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুরু হয়েছিল স্বচ্ছ ভারত মিশনের অন্তর্গত আবর্জনা ও প্লাস্টিক মুক্ত গ্রাম গড়ে তুলতে। দীর্ঘ ৬ মাস এলাকার মানুষকে সচেতন মধ্য দিয়ে আজ জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে হলদিয়া মহকুমার শাসক এবং পঞ্চায়েত সমিতির সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ঘোষণা করলেন দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েত আবর্জনা, প্লাস্টিক মুক্ত স্বচ্ছ গ্রাম। হলদিয়া মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস বলেন স্বীকৃত পাওয়া যায় কিন্তু স্বীকৃতি ধরে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ । হলদিয়া উন্নয়ন ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৌরভ মাঝি বলেন দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এই গ্রাম পঞ্চায়েতকে প্লাস্টিক মুক্ত স্বচ্ছ গ্রাম হিসেবে ঘোষণা করা হলো এবং আরো অনেকগুলি গ্রাম রয়েছে পঞ্চায়েত রয়েছে ধাপে ধাপে সেগুলো ঘোষিত হবে তবে বাজারের দোকানদার এবং এলাকার মানুষদের আরও সচেতন করা দরকার। স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক পরেশ চন্দ্র দাস বলেন ছাত্ররা স্কুলে প্লাস্টিক নিয়ে এলেই ৫০ টাকা জরিমানা করা হবে। সকলেই করতালির মধ্য দিয়ে সমর্থন জানালেন। মহরপুর স্কুলের সামনেই ছোট্ট ব্যবসায়ী কৃষ্ণপ্রসাদ জানা জানান দোকানগুলির সামনে একটি করে ডাস্টবিন দিলে খুব ভালো হয়। দোকানে অনেক রকম লোক আছে তারা যত্রতত্ত ফেলে দিয়ে যায় কিছু বললেই অযথা তর্ক শুরু করে। তাদেরকে সচেতন করার মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিনতি মাভই ভূঁইয়া তিনি বলেন একটি গাড়ি রয়েছে প্রতিটি বুথ এলাকায় সব মাসে দুবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবর্জনা তুলে আনবে এবং বাজার বা দোকানদারদের সামনে ডাস্টবিনে রাখা হবে সেখান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করবে। আজকের সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বচ্ছ বাংলা পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর বধিসত্ত জানা বলেন আমাদের জেলায় প্রক্রিয়া চলছে স্বচ্ছ বাংলা গড়ে তোলার শুধু ঘোষণার অপেক্ষা। গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বাদল চন্দ্র দাস বলেন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ১৫ হাজার জনসংখ্যা রয়েছে। ১৩ টি সংসদ রয়েছে ১৫ জন সদস্য। একটি গাড়ি রয়েছে বুথ এলাকা থেকে প্লাস্টিক ও আবর্জনা সংগ্রহ করে ডিসপোজাল করা হবে। এই প্রক্রিয়া ধরে রাখতে আরও আবর্জনা বহন গাড়ি লাগবে সেজন্য প্রশাসনের কাছে আমরা জানিয়েছি। আজকের এই সভায় সকলে স্বচ্ছ বাংলা গড়ে তোলার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে শপথ বাক্য পাঠ করেন। উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মৌমিতা ঘোড়াই প্রধান, ভবানীপুর থানার আধিকারিক মিহির সাহু, জেলা পরিষদের সদস্য ভবতোষ পাত্র , পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ শম্ভু সাহু, ভবানী জানা পঞ্চায়েত সদস্য কাঞ্চন খাড়া প্রমুখ।

No comments