ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে সাংবাদিক! এসএসকেএম-এ জীবন-মৃত্যুর লড়াই। পাশে দাঁড়াল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। দ্রুত সুস্থতা কামনায় সাংবাদিক মহল !
নিজস্ব প্রতিনিধি, কাঁথি: ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন কাঁথির এক সংবাদকর্মী। শুক্রবার রাতে …
ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে সাংবাদিক! এসএসকেএম-এ জীবন-মৃত্যুর লড়াই। পাশে দাঁড়াল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। দ্রুত সুস্থতা কামনায় সাংবাদিক মহল !
নিজস্ব প্রতিনিধি, কাঁথি: ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন কাঁথির এক সংবাদকর্মী। শুক্রবার রাতে টোটো ও মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম হন সাংবাদিক মিলন পন্ডা। তাঁর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জেলা শাসকের বিশেষ হস্তক্ষেপে সেখানে তাঁর চিকিৎসা শুরু হওয়ায় কিছুটা আশ্বস্ত পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে কাজ সেরে ফেরার পথে একটি টোটোর সঙ্গে মিলনের মোটরবাইকের সজোরে ধাক্কা লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা প্রথমে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা তাঁকে তৎক্ষণাৎ কলকাতায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিলনকে কলকাতায় নিয়ে আসা হলেও সেখানে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েন পরিজনরা। অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা সত্ত্বেও হাসপাতালে বেড পাওয়া যাচ্ছিল না, যার ফলে চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হচ্ছিল। শনিবার এই খবর পৌঁছায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের কাছে।
সংবাদকর্মীর শারীরিক অবস্থার কথা শুনেই তৎপর হন জেলা শাসক ইউনিস রিসিন ইসমাইল। তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কলকাতার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। জেলা শাসকের সক্রিয়তায় দ্রুত জট কাটে। শনিবারই মিলনকে এসএসকেএম-এর অর্থোপেডিক ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
জেলা শাসক ইউনিস রিসিন ইসমাইল জানিয়েছেন, “আহত সাংবাদিককে এসএসকেএম-এ ভর্তি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। আমরা তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”
এদিকে মিলনের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক হওয়ায় তাঁকে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে করে কলকাতায় আনা হয়েছিল। প্রিয় সহকর্মীর এই অবস্থায় জেলার সাংবাদিক মহলে উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতার কামনায় সরব হয়েছেন জেলার বিশিষ্টজন থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
No comments