দুর্গাচক ব্যবসায়ীবৃন্দ ও কলোনি বাজার দোকানদার সমিতির খুঁটিপুজো!শনিবার জন্মাষ্টমীর পুণ্যতিথিতে হলদিয়ায় খুঁটিপুজোর মাধ্যমে দুর্গাচক ব্যবসায়ীবৃন্দ ও কলোনি বাজার দোকানদার সমিতির দুর্গোৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ল।শনিবার জন্মাষ্টমীর পুণ্যতিথিত…
দুর্গাচক ব্যবসায়ীবৃন্দ ও কলোনি বাজার দোকানদার সমিতির খুঁটিপুজো!
শনিবার জন্মাষ্টমীর পুণ্যতিথিতে হলদিয়ায় খুঁটিপুজোর মাধ্যমে দুর্গাচক ব্যবসায়ীবৃন্দ ও কলোনি বাজার দোকানদার সমিতির দুর্গোৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ল।শনিবার জন্মাষ্টমীর পুণ্যতিথিতে হলদিয়ায় খুঁটিপুজোর মাধ্যমে দুর্গাচক ব্যবসায়ীবৃন্দ ও কলোনি বাজার দোকানদার সমিতির দুর্গোৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ল। শহরের প্রাণকেন্দ্র দুর্গাচক নিউমার্কেটের সামনে প্রতিবছর জাঁকজমকের সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীবৃন্দ ও দোকানদার সমিতি যৌথভাবে পুজো আয়োজন করে। এটি হলদিয়ার পুরনো দুর্গাপুজোর অন্যতম। এবার এই পুজো ৫৫তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। সমস্ত ধর্মের ব্যবসায়ীরা মিলিতভাবে পুজো আয়োজন করেন। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য এই পুজোর চিরাচরিত রীতি।
বরাবর সাবেকি ঐতিহ্য থাকলেও এবার মণ্ডপ নির্মাণে একটু প্রথা ভাঙছে। পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিভাসকুমার দত্ত বলেন, এবার বাজারের ব্যবসায়ীরা থিমের মণ্ডপ চেয়েছেন। তাই কারুকার্যখচিত কাল্পনিক মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি হবে। দালানকোঠা আদলের মণ্ডপ হচ্ছে না। পুজোর বাজেট ১৪লক্ষ টাকা। থিমের মণ্ডপ হলেও সাবেকি ধাঁচের প্রতিমা থাকছে। শহরের নামী শিল্পী নন্দলাল জানা ওই প্রতিমা গড়ছেন। পুজোর কয়েকদিন মণ্ডপ প্রাঙ্গণে লোকসংস্কৃতি ও আধুনিক নাচগানের ব্যবস্থা হয়েছে।
এদিন খুঁটিপুজোর পর সবাইকে মিষ্টিমুখ করানো হয়। খুঁটিপুজোয় প্রাক্তন কাউন্সিলার প্রদীপ দাস, পুজো কমিটির উপদেষ্টা সৌমেন্দুবিকাশ জানা, পুজো কমিটির সভাপতি কার্তিকচন্দ্র দাস অধিকারী, সহ-সভাপতি সুকুমার সাহু সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ উত্তম দাস অধিকারী এবং শেখ সেকেন্দার আলি বলেন, এদিন খুঁটিপুজো উপলক্ষ্যে ৩০০’র বেশি আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা গাছের চারা বিলি করা হয়েছে। পুজোয় সামাজিক কাজ, মানুষে মানুষে প্রীতির মেলবন্ধনে জোর দেওয়া হয়। কয়েকদিন আগেই বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের নানা সহায়ক সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল। গতবার শহরের দুঃস্থ ও বিশেষভাবে সক্ষম শিশুকিশোরদের হাতে মণ্ডপের উদ্বোধন হয়েছিল। এবারও নতুন ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে।
তাঁরা জানান, এবার দুর্গাচক এলাকায় কয়েকটি ওয়ার্ডের গরিব মানুষের হাতে শীতকালের জন্য চাদর তুলে দেওয়া হবে। অষ্টমীতে কয়েকহাজার পুরুষ-মহিলা পুষ্পাঞ্জলি দেন। তাঁদের জন্য লুচি-তরকারি ও ফলের ব্যবস্থা করা হয়। ছ’হাজার মানুষকে দশমীর দিন খিচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানো হবে।
No comments