হলদিয়ার সপ্তপদী ঘাটে ৩০ থেকে ৩৫ টি প্রতিমা নিরঞ্জন চলে এছাড়া রাবণ দহন ও আতশবাজি সহকারে অত্যাধুনিক কনভেয়ার বেল্টের মাধ্যমে প্রতিমা নিরঞ্জন, দূষণ রুখতে ঘাটে ১১০০ সাফাইকর্মী, পরিবেশ বান্ধব গড়ে তোলার টার্গেট হলদিয়া পুরসভার। জানালে…
হলদিয়ার সপ্তপদী ঘাটে ৩০ থেকে ৩৫ টি প্রতিমা নিরঞ্জন চলে এছাড়া রাবণ দহন ও আতশবাজি সহকারে অত্যাধুনিক কনভেয়ার বেল্টের মাধ্যমে প্রতিমা নিরঞ্জন, দূষণ রুখতে ঘাটে ১১০০ সাফাইকর্মী, পরিবেশ বান্ধব গড়ে তোলার টার্গেট হলদিয়া পুরসভার। জানালেন হলদিয়া পৌরসভার পৌর প্রশাসক সুরবী সিংলা এবং হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী
আবর্জনামুক্ত পরিবেশ। বিশেষ করে ডেঙ্গুমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার টার্গেট রয়েছে শহরে। তাই দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন - পরবর্তী সময়ে নোংরা, আবর্জনা সরিয়ে ফেলতে বিশেষ জোর দিয়েছে হলদিয়া পুরসভা। এবার হলদিয়া পুর এলাকার ২৯টি ওয়ার্ডজুড়ে ১০৫টি দুর্গাপুজো হয়েছে। আজ 21 শে অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীতেই প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য সকাল থেকে হলদিয়া টাউনশিপ সপ্তপদী ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন দেখার জন্য বহু মানুষ উপস্থিত হয়। প্রশাসনের উদ্যোগে এবারে অত্যাধুনিক কনফেয়ার বেল্ট এর মাধ্যমে প্রতিমা নিরঞ্জন হবে সে নিয়ে জেলাশাসক জেলা পুলিশ সুপার এবং এসডিও সঙ্গে এলাকার বিধায়ক ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং কনভেয়ার বেল্ট পরীক্ষা করা হয়েছে। হলদিয়া দুর্গাচক থেকে রাণীচক এবং টাউনশিপ এলাকার প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টি প্রতিমা আজ নিরঞ্জন হবে বলে পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে। বাকি প্রতিমা দুর্গাচক লাগোয়া হুগলি নদী, কোথাও বড় ঝিলে, পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হবে। বিসর্জনের যাবতীয় খড়, কাঠ, কাপড়, কাগজ, ফুল ইত্যাদি সামগ্রী কোনওভাবেই যাতে পরিবেশের ক্ষতি না করে, সেদিকে কড়া নজর দিয়েছেন পৌরসভা ।
পুরকর্মী থেকে আধিকারিকদের। বিসর্জন পর্বে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার, জেলা পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা, হলদিয়ার এস ডি ও সুরভী সিংলা প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী। জেলাশাসক জানান, "পূর্ব মেদিনীপুর জেলাজুড়ে নির্বিঘ্নে কেটেছে পুজোপর্ব। এদিন আবহাওয়া ভালো থাকায় বিসর্জন ঘিরে মানুষের উৎসাহ ছিল চরমে। হলদিয়ায় বিসর্জনের আয়োজন প্রশংসনীয়।" হলদিয়ার মহকুমা শাসক, পুর-প্রশাসক সুরভী সিংলা জানিয়েছেন, "পুজো পার্বন, উৎসব-অনুষ্ঠান চলবেই। তা থেকে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা খুবই জরুরি। তাই সমস্ত জায়গায় আবর্জনা দ্রুত সরিয়ে ফেলার কাজ করা হয়েছে।"
হলদিয়া পুরসভার সাফাই বিভাগের কর্তা চন্দন বেরা জানিয়েছেন, "১১০০ সাফাইকর্মী নোংরা, আবর্জনা সরানোর কাজ করে চলেছেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার কাজে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি।" পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালে হলদিয়ায় ছিল ৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী। চলতি বছরে তা কমে দাঁড়ায় ১০ জন। সকলেই রাজ্যের বাইরে আক্রান্ত হয়ে হলদিয়ায় ঢুকেছেন বলে জানিয়েছেন পুরসভার স্বাস্থ্যকর্তা রথীন্দ্রনাথ দাস। তবে হলদিয়া পুর এলাকাজুড়ে এই সাফাই অভিযান লাগাতার চলবে বলে জানা গিয়েছে।

No comments