দূর্বাচটি নদী বাঁধে ফাটল,জরুরী ভিত্তিতে মেরামতের দাবীওল্ড কাঁসাইয়ের একটি শাখা হল-দূর্বাচটি নদী। দাসপুর ব্লকের নন্দনপুর ও পাঁচবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমানা বাঁশখাল ও বসন্তপুর থেকে বেরিয়ে যা শ্রীবরা ও যশাড়ের কাছে রূপনারায়ণে…
দূর্বাচটি নদী বাঁধে ফাটল,জরুরী ভিত্তিতে মেরামতের দাবী
ওল্ড কাঁসাইয়ের একটি শাখা হল-দূর্বাচটি নদী। দাসপুর ব্লকের নন্দনপুর ও পাঁচবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমানা বাঁশখাল ও বসন্তপুর থেকে বেরিয়ে যা শ্রীবরা ও যশাড়ের কাছে রূপনারায়ণে পড়েছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের অন্তর্গত ওই নদী সংস্কার করা হয়েছিল ২০২২-২৩ সালে। অনেকটা অপরিকল্পিতভাবে ওই সময় নদী সংস্কারের কারণে প্রায় প্রতিবছর বর্ষাতে নদীবাঁধের কোন না কোন অংশে ধ্বস নামে। গত বর্ষায় খন্যাডিহি গ্রাম পঞ্চায়েতের নিজ খয়রা এলাকায় নদীবাঁধে খানিকটা ফাটল দেখা দেয়। সেইমতো সেচ দপ্তর ওই অংশে ঐ ফাটল মেরামতে কিছু কাজ করে। এরপর অর্ণবের কারণে গতকাল থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ওই বৃষ্টির পরিপেক্ষিতে গতকাল প্রায় কুড়ি মিটার লম্বা অংশের নদীবাঁধ দু ফুট অংশ বসে যায়। ফলস্বরূপ ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের নিজ খয়রা-রায়চক সহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলিতে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের সেচ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। ওই পরিপ্রেক্ষিতে দপ্তরের খন্যাডিহি সেকশনের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ফাটল স্থান পরিদর্শন করেন। এরপর ঠিকাদার আপাতত ফাটল অংশে ত্রিপল ঢেকে দেন, যাতে নতুন করে আর ফাটলস্থান না বাড়ে। কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক অর্ণব চলে গেলে ওই ফাটল অংশ স্থায়ীভাবে মেরামতের দাবী জানান দপ্তরের নির্বাহী আধিকারিককে।

No comments