Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

লালবাবা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড সকাল থেকে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

লালবাবা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড সকাল থেকে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঘটনাস্থলে পুলিশহলদিয়ার  একটি পাইপ তৈরির কারখানায় লালবাবা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড কারখানায় নতুন নিয়ম ঘিরে শনিবার সকালে শ্রমিক বিক্ষোভ দেখায়। কারখানা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অন…

 



লালবাবা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড সকাল থেকে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

হলদিয়ার  একটি পাইপ তৈরির কারখানায় লালবাবা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড কারখানায় নতুন নিয়ম ঘিরে শনিবার সকালে শ্রমিক বিক্ষোভ দেখায়। কারখানা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের আগে শ্রমিকদের কারখানায় প্রবেশ করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের  পরে বেরোতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর করতে কারখানার গেটে নিরাপত্তারক্ষীরা নির্দিষ্ট সময়ে গেট বন্ধ করে দেন। দেরিতে আসা শ্রমিকদের নাম ও প্রবেশের সময় নথিভুক্ত করা হচ্ছিল। অভিযোগ, দেরি হলে কাজে ঢুকতে দেওয়া হতো না।  বেতন থেকে টাকা কেটে নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টা থেকে কারখানার গেটের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভবানীপুর থানার পুলিশ। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরাও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।

কারখানার শ্রমিক সুরজিৎ দাস বলেন, ‘‘গত দু’সপ্তাহ ধরে এই নিয়ম চালু রয়েছে। সামান্য দেরি হলেও শ্রমিককে বসিয়ে দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।’’ সূত্রে জানা যায়, শ্রমিকদের শ্রমের মর্যাদা না দিয়ে অতিরিক্ত সময় খাটিয়ে নেওয়া এবং পলিটেকনিক আইটিআই ছাত্রদের গুরুকুলের ট্রেনিং এর নাম করে টাকা আত্মসাৎ করা। গুরুকুল নাম করে ট্রেনিং এক বছর পরে ট্রেনিং প্রাপ্ত শ্রমিকদের কারখানায় না রেখে তাদেরকে বাদ দিয়ে দেওয়া। রাজ্য সরকারের শ্রম দপ্তরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয় না। হলদিয়া শিল্পাঞ্চল এলাকায় ট্রেড ইউনিয়ন থাকলেও এই কোম্পানির কোনদিন সিওডি হয় না। কোম্পানি সরাসরি তাদের নিয়োগপত্রে বাধ্যবাধকতা মূলক ভাবে লিখিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে নন্দীগ্রাম রোজগার মেলায় এই কোম্পানির অনেক শ্রমিক নেওয়া হবে বলে প্রকাশ করা হয়েছে কিন্তু গত কয়েক মাস আগেই লালবাবা ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের কোন কিছু না জানিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে। ওই কারখানার উদ্বাস্তু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে মানুষদের প্রায় বাদ দেওয়া হয়েছে কোন কিছু না জানিয়ে। অলিখিতভাবে অতিরিক্ত সময় শ্রমিকদের খাটিয়ে নেওয়া এবং সেফটি সিকিউরিটি ঠিক না থাকায় যে কোন মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ইতিমধ্যে হলদিয়ার বিভিন্ন কারখানায় দুর্ঘটনা ঘটেছে সেফটি না থাকার জন্য। সকাল থেকে শ্রমিকদের বিক্ষোভের জেরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়  ভবানীপুর থানার পুলিশ।  কারখানার ফ্যাক্টরি ম্যানেজার নীলাদ্রি ভট্টাচার্যকে ফোন করা হয়। তিনাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় কারখানার আরেক শ্রমিক বলেন দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকদের উপর জোর জুলুম চালাচ্ছে কর্তৃপক্ষ তারই প্রকাশ ঘটেছে আজ।পুলিশ প্রশাসন ও ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বৈঠকের পর বিষয়টি নিয়ে আগামী সোমবার ফের বৈঠক হবে বলে জানানো হয়। শ্রমিকরা অবস্থান তুলে নিয়ে কাজে যোগ দেন। শ্রমিকরা কাজে ফেরার পর কারখানার স্বাভাবিক কাজকর্মও শুরু হয়। এই ঘটনা কটাক্ষ করেছেন সি আই টি ইউ জেলা নেতৃত্ব পরিতোষ পট্টনায়েক তিনি বলেন রাজ্যে প্রশাসন সরকার দল পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু হলদিয়া শ্রমিক শোষণ কারখানার কর্তৃপক্ষের দাদাগিরি পরিবর্তন হয়নি, শ্রমিকরা যদি একত্রিত হয়ে কর্তৃপক্ষের জোর জুলুমের প্রতিবাদে সংঘটিত না করে তাহলে আগামী দিনে শ্রমিকদের বিপদ ঘনিয়ে আসবে। তাই সকল শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানালেন।


No comments