পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বর্তমান জলবন্দী পরিস্থিতি মোকাবিলা ও বন্যা প্রতিরোধের কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আবেদন জানিয়ে নবান্নে চিঠি।
গত কয়েকদিন ধরে নিম্নচাপজনিত অতিবর্ষণে পূর্ব ও পশ্চিম মেদ…
পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বর্তমান জলবন্দী পরিস্থিতি মোকাবিলা ও বন্যা প্রতিরোধের কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আবেদন জানিয়ে নবান্নে চিঠি।
গত কয়েকদিন ধরে নিম্নচাপজনিত অতিবর্ষণে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেশির ভাগ ব্লকেই ভয়াবহ জলবন্দী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেই অর্থে এখনো পর্যন্ত কোনো বড় নদীর বাঁধ না ভাঙলেও অত্যধিক বর্ষণের জল নদী দিয়ে বেরতে না পারার কারণে হাজার হাজার মানুষকে এই চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হলো। জলবন্দী মৌজাগুলির আমনধান-পান- ফুল-মাছ প্রভৃতি চাষ, রাস্তা ও নদী বাঁধের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। যদিও বর্তমানে বর্ষা খানিকটা থামলেও কংসাবতী সহ বিভিন্ন ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার কারণে শুরু হয়েছে আতঙ্ক। অন্যদিকে আবার কয়েকদিনের মধ্যেই নিম্নচাপের ভ্রুকুটির খবর জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এই অবস্থায় জলবন্দী পরিস্থিতি মোকাবিলার কয়েকটি আশু ও ঐ সমস্যা সমাধানের স্থায়ী কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলা বন্যা-ভাঙন প্রতিরোধ কমিটি ও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে দুই জেলার সেচ ও বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিকট ডেপুটেশনের মাধ্যমে স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাথে সাক্ষাৎ এর আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
দুই কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,ক্ষতিগ্রস্ত মৌজাগুলিকে অবিলম্বে জলবন্দী মৌজা ঘোষণা করে ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, নদী ও বড় খাল সংস্কারের ক্ষেত্রে নো কস্ট পদ্ধতি বাতিল করে পূর্বের পদ্ধতিতে নদী ও খাল সংস্কার সহ ওই সংক্রান্ত কতগুলি আমাদের প্রস্তাবের বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা করবার জন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছি। যত শীঘ্র সম্ভব উনি আমাদের প্রস্তাবগুলি নিয়ে আলোচনা করবেন এই আশা রাখছি।

No comments