নয়াচক দ্বীপে জনগণনা আধিকারিকদের সহযোগিতা করছেন মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতি কেন এই সহযোগিতা জানালেন সমিতির অন্যতম সদস্য সঞ্জয়পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া হুগলি নদীর মাঝে অবস্থিত একটি নদীর চর বা দ্বীপ যা নয়াচর নামেই পরিচিত। হুগলি ন…
নয়াচক দ্বীপে জনগণনা আধিকারিকদের সহযোগিতা করছেন মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতি কেন এই সহযোগিতা জানালেন সমিতির অন্যতম সদস্য সঞ্জয়
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া হুগলি নদীর মাঝে অবস্থিত একটি নদীর চর বা দ্বীপ যা নয়াচর নামেই পরিচিত। হুগলি নদীর মোহনা থেকে প্রায় 40 কিলোমিটার উজানে হলদিয়া বন্দরের পূর্ব দিকে অবস্থিত শুধুমাত্র মৎস্যজীবীরা এই দ্বীপে মাছ ধরার জন্য অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন দ্বীপের মোট আয়তন প্রায় ৬৪ বর্গ কিলোমিটার এই দ্বীপে পশ্চিমে হুগলি নদী সঙ্গে হলদি নদী মিলিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর,হলদিয়া নয়াচর দ্বীপে প্রায় দশ হাজার একর জমিতে ৬ থেকে ৭ হাজার একর জলাভূমি রয়েছে। নয়াচরে মাছ চাষ করে বছরে প্রায় 200 কোটি টাকার বেশি বাণিজ্য হয়।
প্রসঙ্গত তৃণমূল সরকারের সময় নয়াচারে ফিসিংহাব গড়তে মোট ৯১১৬ একর জলাশয় মিশ্র ও ভেনামি মাছ চাষের জন্য এ অকশন ডাকা হয়েছিল। কিন্তু বারবার ওই ই এক্স দেখো কোন লাভ হয়নি। বর্তমান সরকার ওই এলাকার সরকারি জমি থেকে উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছিলেন কিন্তু সেই পাওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে গিয়ে প্রাক্তন সাংসদ শিশির অধিকারীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন তারপরেই উচ্ছেদের কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং পরবর্তীকালে এই প্রকল্প শুরু হয়। যাবে হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী তিনি জানান ইতিমধ্যে মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ও জাহাজ মন্ত্রির সঙ্গে আলোচনা সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন তিনি সাগর মেলার টুক প্রকল্পে সাগরদ্বীপ থেকে হলদিয়া পর্যন্ত উপকূল এলাকায় নানান উন্নয়ন হবে প্রায় ২২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে রাজ্য সরকার উন্নয়ন হবে বলে তিনি জানান। বর্তমান রাজ্য সরকারের জন গণনার কাজ শুরু হয়েছে সেই কাজ ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় তবে হলদিয়া পঞ্চায়েত সমিতির আধিকারিকগন হলদিয়া নয়াচর এই এলাকার মানুষের জীবন যাত্রা এবং জনসংখ্যা ঘরবাড়ি সব নিয়েই সমীক্ষা শুরু হলো প্রায় 14 জনের টিম জন্য রয়েছে। প্রথম দিন শুরুতেই উপস্থিত ছিলেন হলদিয়া ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক এবং সহকারী ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকসহ একাধিক ব্লকের আধিকারিকবৃন্দ তবে এই জনগণনা সর্বত্রভাবে সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন ওই এলাকার মত্ত জিবি উন্নয়ন সমিতি জিবি উন্নয়ন সমিতির কোষাধক্ষ্য সঞ্জয় দাস বলেন আমরা চাই প্রকৃত তথ্য সরকারের কাছে যাক ভুলভ্রান্তি বর্তমান সরকারের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে তবে এই জনগণনা হলে প্রকৃত তথ্য সরকারের কাছে আসবে আমরা সকলেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই জনগণনার কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমরা চাই গত বাম আমল থেকেই আমরা এই এলাকায় রুটি রোজগারের জায়গা খুঁজে পেয়েছি সরকারের উন্নয়নের কাজে আমরাও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তবে সরকার যে কাজ করতে চাইছে আমাদের সঙ্গে নিয়ে আলোচনা করলে আরো ভালো হয় তবে আমরা আশা করছি বিগত সরকারের থেকে এ সরকার সকলের উন্নয়নের কথা ভেবেই মত্তজীবী যারা রয়েছেন তাদের যে ন্যূনতম যা যা কাজ করণীয় আমরা সরকারের সঙ্গে সেই সকল কাজ করতে বাধ্য থাকব। তিনি বলেন, নয়াচর মৎস্যজীবী উন্নয়ন সমিতির নেতৃত্ব সঞ্জয় দাস বলেন এলাকায় প্রায় ১৬ হাজার পরিবার ৪০০০ মৎস্যজীবী রয়েছে নয়াচরে, আমরা চাই এলাকার মানুষ তাদের জীবন জীবিকা কিভাবে চলছে বর্তমান সরকারের কাছে নথিভুক্ত থাক এবং এই জনগণনা কাজে দ্বীপ এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দেবেন
No comments