ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বিরোধীদের চক্রান্ত করে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেতৃণমূলের ক্ষমতা থাকাকালীন বিরোধীদের একাধিক মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠে আসে তৃণমূল নেতা …
ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বিরোধীদের চক্রান্ত করে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে
তৃণমূলের ক্ষমতা থাকাকালীন বিরোধীদের একাধিক মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠে আসে তৃণমূল নেতা সুজিত রায়ের বিরুদ্ধে, ইতিমধ্যেই ধর্ষণের মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সুজিত রায়ের বিরুদ্ধে পাঁশকুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হলে গ্রেফতার হয় সুজিত রায়, তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম থেরাপিও চলেছিল। সেই ঘটনায় সুজিতের ৭দিনের পুলিশি এবং জেল হেফাজত হয়েছিল এবার নতুন আরেক মামলা দায়ের হম জেল কাস্টডিতে থাকা সুজিতের বিরুদ্ধে । রাধাবল্লকচক অঞ্চলের সাধুয়াপোতা গ্রামের বাসিন্দা শেখ মূর্শেদ আলী নামে এক ব্যক্তির মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে,আবাসের বাড়ি না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বিজেপি নেতা তথা বর্তমান বিধায়ক সিন্টু সেনাপতি সহ পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সহ সভাপতি কুরবান শা এর দাদা আবজল শা এর বিরুদ্ধে সোনা ও টাকা চুরির মিথ্যে মামলা করিয়েছিল তৃণমূলের দাপুটে নেতা তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত রায়। রাজ্যে পালা বদলের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই দর্পচূর্ণ হয় তৃণমূল নেতার । তাঁর বিরুদ্ধে পাল্টা মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে পাঁশকুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের হয় সুজিত রায়ের বিরুদ্ধে।
তাই আজ গ্রেফতার হওয়া সুজিত রায়ের পুলিশি হেফাজত থাকাকালীন তদন্তের স্বার্থে পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির পার্শ্ববর্তী বাঁশির চা দোকানে নিয়ে আসা হয় সুজিত রায়কে,যে চা দোকানে একসময় আড্ডায় বসতেন এই সুজিত রায় । জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেই চা দোকানে নিয়ে আসা হলে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে পুনরায় সুজিত রায়কে থানায় পুলিশ কাস্টডিতে নিয়ে যায় পুলিশ । সুজিত রায়ের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানায় বিরোধীরা।
No comments