বর্ষার শুরুতেও নিকাশী খালগুলিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষোভসংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক:বর্ষার পূর্বেই সমস্ত নিকাশী খালের ভেতরে থাকা কচুরিপানা সহ আবর্জনার পরিষ্কারের দাবী পূর্বেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা…
বর্ষার শুরুতেও নিকাশী খালগুলিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক:বর্ষার পূর্বেই সমস্ত নিকাশী খালের ভেতরে থাকা কচুরিপানা সহ আবর্জনার পরিষ্কারের দাবী পূর্বেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বন্যা ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে সেচ দপ্তরের সমস্ত আধিকারিকদের নিকট জানানো হয়েছিল। কিন্তু আবহাওয়া দপ্তরের নিয়ম অনুসারে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে বর্ষা নামার কথা থাকলেও প্রায় একমাস পরে সেই অর্থে বর্ষা নামলো। কিন্তু এখনো খালগুলির ভেতরে থাকা ওই কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কারের কাজে তেমন করে হাতই দিতে পারল না সেচ দপ্তর। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক ডিভিশনের অন্তর্গত দেহাটি, মেছেদা-বাঁপুর,টু মেন ক্যানেল নামে এই তিনটি খাল সারা বছর ধরে পরিষ্কার রাখার জন্য ওয়ার্ক অর্ডারের পরিপ্রেক্ষিতে কাজ শুরু হয়েছে। যার ওয়ার্ক অর্ডার বেশ কিছুদিন আগেই দেওয়া হয়েছে। এজন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২৯ লক্ষ ১১ হাজার টাকা। দেহাটি খালে প্রায় একমাস ধরে কাজ চলছে। জেলার বাকী নিউ কাঁসাই-চন্ডীয়া নদী সহ সোয়াদিঘী-গঙ্গাখালি-জঁফুলি-টোপা ড্রেনেজ কাট্-হিজলি টাইড্যাল ক্যানেল প্রভৃতি নদী ও খালের ভেতর কচুরিপানা ও আবর্জনা পরিষ্কার এর কাজ এখনো শুরু হয়নি। এই অবস্থায় বন্যা ভাঙন প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে সম্প্রতি জেলার সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের নিকট ডেপুটেশন দেওয়া হয়। ওই ডেপুটেশনের পরিপ্রেক্ষিতে জানা গেছে, জেলার ওই খালগুলি সহ মোট ২ টি নদী ও ৪১ টি খাল পরিষ্কার এর জন্য ২ কোটি ২১ লক্ষ ২৪ হাজার টাকার টেন্ডারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু করা হবে। ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু হলেই ঠিকাদাররা খাল পরিষ্কার এর কাজে দ্রুততার সাথে হাত দেবেন।
কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক জানান, আমরা আবেদন জানিয়েছিলাম, বর্ষার পূর্বেই এই খাল পরিষ্কারের কাজে হাত দিতে। তাহলে সরকারের খরচ যেমন কম হত, পাশাপাশি পরিষ্কার এর কাজটিও ভালোভাবে হত। খাল ভর্তি জল থাকা অবস্থায় পরিষ্কার এর কাজ করলে যা দাঁড়ায়, কচুরিপানাগুলি আবার কিছুদিন পর বংশবিস্তার করে আবার জলনিকাশীতে বাধা সৃষ্টি করবে। আমরা চাই-অতি দ্রুততার সাথে ঠিকাদারদের কাজের উপর নজরদারি রেখে খালের ভেতরে থাকা ওই সমস্ত জঞ্জাল-আবর্জনা-কচুরিপানা সম্পূর্ণ রূপে পরিষ্কার করে তা বাঁধের উপর তুলে দেওয়া হোক।

No comments