নিম্নচাপজনিত বর্ষণে কোলাঘাটে আমন ধানের বীজতলা জলের তলায়সংবাদদাতা নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সোয়াদিঘী,দেহাটি,দেনান প্রভৃতি নিকাশী খালগুলি সংস্কার ও ব্রীজ নির্মাণের জন্য ঠিকাদারের দেওয়া খালের উপর ক্রশবাঁধগুলি পূ…
নিম্নচাপজনিত বর্ষণে কোলাঘাটে আমন ধানের বীজতলা জলের তলায়
সংবাদদাতা নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সোয়াদিঘী,দেহাটি,দেনান প্রভৃতি নিকাশী খালগুলি সংস্কার ও ব্রীজ নির্মাণের জন্য ঠিকাদারের দেওয়া খালের উপর ক্রশবাঁধগুলি পূর্ণাঙ্গ রূপে অপসারণ না করায় চলতি নিম্নচাপজনিত বর্ষার জলে যে সমস্ত কৃষকেরা আমন ধানের বীজতলা ফেলেছিল, তা অধিকাংশই ডুবে গিয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের
ক্ষতিপূরণের দাবী জানিয়েছে কৃষক সংগ্রাম পরিষদ।
পরিষদের সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক জানান,পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সোয়াদিঘী-দেনান- দেহাটি প্রভৃতি নিকাশী খাল সংস্কারের জন্য খালের উপর ঠিকাদারের দেওয়া ক্রশবাঁধগুলি দ্রুত অপসারণের দাবী জানিয়ে ৩ রা জুলাই জেলা শাসক ও জেলা সেচ দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই ক্রশবাঁধগুলি পূর্ণাঙ্গ রূপে অপসারণ না করার ফলে বর্ষার মরশুমে প্রথম নিম্নচাপজনিত বৃষ্টিপাতের ফলে জেলার কোলাঘাট ব্লকের বৃন্দাবনচক, সিদ্ধা-১, সাগরবাড়,খন্যাডিহি প্রভৃতি গ্রাম পঞ্চায়েতের নিচু এলাকার গ্রামগুলির জমিতে ফেলানো আমনধানের বীজতলা ইতিমধ্যে ডুবে গিয়েছে।
বৃন্দাবনচক গ্রাম পঞ্চায়েতের পরমানন্দপুর গ্রামের কৃষক সুজয় পন্ডিত বলেন, আমন ধান রোপনের জন্য ১২ কাঠা জমিতে চারা তৈরীর জন্য ৮৪ কেজি বীজধান ফেলেছিলাম। মাত্র দু'দিনের বৃষ্টিতেই খাল দিয়ে মাঠের জল না বেরোনোর কারণে পুরো বীজতলাই নষ্ট হয়ে গেল। এর দায়িত্ব ঠিকাদার ও প্রশাসনকেই নিতে হবে। সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের বৃন্দাবনচক গ্রামের বাসিন্দা বৈদ্যনাথ বেরা বলেন, আমার এক বিঘা জমিতে আমন চাষের জন্য তিন কাঠা জমিতে ২০ কেজি বীজ ধান ফেলেছিলাম। ১১৫ টাকা কেজি ধরে বীজ ধান কিনেছিলাম। যা জলনিকাশীর অভাবে পুরো বীজতলাই নষ্ট হয়ে গেল। এজন্য উপযুক্ত সরকারী ক্ষতিপূরণের দাবী করছি।
নারায়ণবাবু আরো বলেন, অতি দ্রুত ওই খালগুলির উপর দেওয়া ক্রশবাঁধগুলি সম্পূর্ণ রূপে অপসারণ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের বিনামূল্যে বীজ ধান সরবরাহ করতে হবে।

No comments