Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

গেঁওয়াখালি থেকে হলদি নদী পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্যানাল পরিষ্কার শুরু হল

গেঁওয়াখালি থেকে হলদি নদী পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্যানাল পরিষ্কার শুরু হল
কলাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকের পর জেলা প্রশাসন টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঐতিহ্যবাহী হিজলী টাইডাল ক্যানাল সংস্কারের কাজ শুরু করল শুক্রবার। মহিষাদলের স…

 


গেঁওয়াখালি থেকে হলদি নদী পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্যানাল পরিষ্কার শুরু হল


কলাঘাটে প্রশাসনিক বৈঠকের পর জেলা প্রশাসন টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ঐতিহ্যবাহী হিজলী টাইডাল ক্যানাল সংস্কারের কাজ শুরু করল শুক্রবার। মহিষাদলের সতীশচন্দ্র সামন্ত রেল স্টেশনের কাছে কাজের সূচনা করেন এলাকার বিধায়ক সুভাষচন্দ্র পাঁজা।গেঁওয়াখালি থেকে হলদি নদী পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ক্যানালের প্রথম ধাপে আগাছা ও কচুরিপানা পরিষ্কার করা হচ্ছে। ডিসেম্বর থেকে ড্রেজিং করে ক্যানাল সংস্কার করা হবে। ক্যানালের দুই পাড়ে থাকা ১০০ মিটার করে জায়গা পরিষ্কার করে বিউটিফিকেশন করা হবে। ভবিষ্যতে এলাকাটিকে টুরিস্ট স্পট হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে ইতিমধ্যেই বৈঠক হয়েছে বলে জানান বিধায়ক।

হিজলী টাইডাল ক্যানাল শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্যই বিখ্যাত নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মহাত্মা গান্ধীর নাম। ১৯৪৪ সালে মহাত্মা গান্ধী অবিভক্ত মেদিনীপুরে এসে মহিষাদলে রাত্রিবাসের পর এই ক্যানাল দিয়েই নৌকায় কাঁথির উদ্দেশ্যে যান। ক্যানালের জলের উপর নির্ভরশীল আট-দশটি গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার। চাষের জল ও মাছ ধরেই স্বনির্ভর হন বহু মানুষ।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে কচুরিপানা ও আবর্জনায় ভরে গিয়েছিল ক্যানাল। পাড়ে গড়ে উঠেছিল অবৈধ দোকানপাট। রাজ্য সরকারের নতুন বরাদ্দে প্রথম দফায় ১৭ লক্ষ টাকা মঞ্জুর হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা বাবলু মাজি ও পল্লব পানিগ্রাহী বলেন, "ক্যানাল সংস্কার হলে চাষের জল পেয়ে এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন। সংসার চালাতে সুবিধা হবে।" সংস্কারের খবরে খুশি এলাকার মানুষ।

No comments