৫৬তম বর্ষের জন্মদিনে প্রয়াত বাবা ও শ্বশুর মশাইকে স্মরণ করে জন্মদিনের কেক কাটলেন- জন্মেজয়বয়সের তাগিদে মানুষের পরিবর্তন ঘটে। কিন্তু চিরাচরিত প্রথা হিসেবে জন্মদিন পালিত হয় বিভিন্নভাবে। জন্মদিনের ভিডিও দেখতে ক্লিক করুনhttps://you…
৫৬তম বর্ষের জন্মদিনে প্রয়াত বাবা ও শ্বশুর মশাইকে স্মরণ করে জন্মদিনের কেক কাটলেন- জন্মেজয়
বয়সের তাগিদে মানুষের পরিবর্তন ঘটে। কিন্তু চিরাচরিত প্রথা হিসেবে জন্মদিন পালিত হয় বিভিন্নভাবে।
জন্মদিনের ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন
https://youtu.be/8RwnhdtvK5Q
তবে অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক কারণেই এখন আর মা ঠাকুমাদের হাতে পায়েস আর হয়তো পাওয়া যায় না ।
এখন এসেছে বেকারির অত্যাধুনিক কেক, পার্টি নিয়েই এখন জন্মদিন। কিন্তু জন্মেজয় মান্না যিনি হলদিয়ায় একটি নামই সংস্থায় কর্মরত রয়েছেন ।
তিনি জানালেন সকালে উঠে প্রয়াত বাবা এবং শ্বশুর মশাই কে স্মরণ করে মাকে প্রণাম করে দিন শুরু হয়েছে। এবং মায়ের হাতে তৈরি পায়েস দূর্বা আতপ চাল দিয়ে আশীর্বাদ দূর থেকে গ্রহণ করেছেন। কারণ তিনি একটি সংস্থার কর্মরত কর্মচারী তাই জন্মদিন থাকলেও মায়ের কাছে যেতে পারছেন না। মায়ের জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন আম মিষ্টি প্রভৃতি। জন্মদিনে একটাই বার্তা দিলেন নতুন প্রজন্মের কাছে যদিও তিনি দুই পুত্রের পিতা তিনি জানালেন যাদের দ্বারা এই পৃথিবীর আলো দেখেছি তাদেরকেই কখনোই কোন কিছুর বিনিময়ে ভোলা যায় না। কারণ তিনি না থাকলে আমরা এই পৃথিবী দেখতে পেতাম না। বর্তমান সমাজের এখন বৃদ্ধাশ্রমে রেখে দিয়ে আসেন তাদের ছেলেমেয়েরা তাদের উদ্দেশ্যে বললেন যারা এই পৃথিবীর আলো দেখিছে তাদেরকে যদি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে দিয়ে আসো তোমার ছেলে মেয়েরাও দেখছে তুমি কি কাজ করছ। তোমাকেও যেতে হবে একসময় সেই বৃদ্ধাশ্রমে। তাই আসুন সকলে মিলে একসঙ্গে পরিবারের সঙ্গে সুখ দুঃখ বিনিময় করে একই জায়গায় বসবাস করি। সকাল থেকে বিভিন্নভাবে পাটে পাটে তার জন্মদিন পালিত হয়। সন্ধ্যা হলদিয়া রিফাইনারি ফুড পার্ক ঝাড়গ্রাম বিদ্যাসাগর কলেজ একসঙ্গে যারা পড়েছিলেন তারা বর্তমানে হলদিয়ার বিভিন্ন কর্মসংস্থানে যুক্ত তাদেরকে নিয়ে সন্ধ্যায় চলল জন্মদিনের পার্টি কেক কেটে ভরি ভূজ্জি খাওয়ার মধ্য দিয়ে ৫৬ তম জন্মদিন উদযাপিত হয়।



No comments