এ মুহূর্তে চাঞ্চল্যকর খবর হলদিয়া পেট্রো কেমিক্যাল গ্যাস ও ন্যাপথার পাইপলাইনে আগুন? ঝলসে গেলেন অনেকেই গ্রীন করিডোর করে নিয়ে যাওয়া হল জেলা মেডিকেল হাসপাতালে। মৃত এক আহত ৩০প্রসঙ্গত, গত ৮ ই এপ্রিল ২০২৫ হলদিয়া পেট্রো কেমিক্যালস …
এ মুহূর্তে চাঞ্চল্যকর খবর
হলদিয়া পেট্রো কেমিক্যাল গ্যাস ও ন্যাপথার পাইপলাইনে আগুন? ঝলসে গেলেন অনেকেই গ্রীন করিডোর করে নিয়ে যাওয়া হল জেলা মেডিকেল হাসপাতালে। মৃত এক আহত ৩০
প্রসঙ্গত, গত ৮ ই এপ্রিল ২০২৫ হলদিয়া পেট্রো কেমিক্যালস আগুন লেগেছিল। এক বছরের মাথায় পুনরায় ঠিক একই জায়গায় আগুন তবে এলাকার মানুষের দাবি কারখানার কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার জন্য এই আগুন।
শিল্প শহর হলদিয়াতে পাইপলাইন বিভিন্ন জায়গা থেকে বিছানো হয়েছে। বন্দরের জাহাজ থেকে সরাসরি কারখানায় গ্যাস ন্যাপথা সহজ ভাবে পৌঁছানোর জন্যই এই পাইপলাইন ব্যবহার করা হয়। জানা গিয়েছিল শিল্প শহরের বিভিন্ন জায়গায় পাইপ লাইন লিক করে তেল চুরির , ন্যাপথা চুরির ঘটনা ঘটেছিল এর আগে। প্রশাসনের নজরে আসতেই তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
আজ ৩০ শে জুন ভোর পাঁচটা নাগাদ ন্যাপথ্যা বেরোতে দেখে ঐ এলাকার মানুষ কর্তৃপক্ষকে খবর দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। সকালে বজ্রপাত সহ বৃষ্টি হতেই বজ্রপাতের সেই আগুন পাশে হলদিয়া পাঁশকুড়া ট্রেন লাইনে আগুন লেগে যায়।ঘটনাস্থলে পৌচ্ছায় ১২টি দমকলের ইঞ্জিন, হলদিয়া পাঁশকুড়া রেললাইন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছে। এলাকার মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যারা বিধ্বংসী আগুনের পুড়ে গেছেন তাদের চিকিৎসার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। পাইপ লাইনের কাছাকাছি যারা বসবাস করতেন তাদেরকে সতর্কতা করতেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী প্ল্যান সংলগ্ন এলাকায় ন্যাপথা চুরি একটি অনঅনুমোদিত স্থানের কাছাকাছি এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যায়। অত্যন্ত দাহ্য ও বিপদজনক একটি হাইড্রোকার্বন পেট্রোলিয়াম পণ্য সংক্রান্ত গুরুতর নিরাপত্তা কারণে এ ধরনের পণ্য অনঅনুমোদিতভাবে সংগ্রহ বা নাড়াচাড়া করা থেকে বিরত থাকার জন্য কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করেছেন। কর্তৃপক্ষ জানান ওই এলাকার মানুষদের বলেও কোনো কাজ হয়নি। তবে প্রকৃত কি ঘটনা ঘটেছে কর্তৃপক্ষ তা তদন্ত করছেন।
ভবানীপুর থানার অন্তর্গত ১৩ নংওয়ার্ড চিরঞ্জীবপুর শান্তি কলোনি এলাকায় HPL (হলদিয়া পেট্রো কেমিক্যালস) গামী কয়েকটি পাইপলাইন রয়েছে ঐ লাইনে গ্যাস ও ন্যাপথা সরবারহ হয়,ঐ লাইনে আচমকা আগুন লেগে যায়,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হলদিয়া থানার পুলিশ ও ফায়ার ব্রিগেড পৌছায়, একটি HPL-এর ফায়ার সার্ভিস ও একটি সরকারি ফায়ার গাড়ির তৎপরতায় প্রায় ভোর রাত্রি থেকে আগুন নেভানোর কাজ চলছে। দমকলের১২ টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। কিন্তু যতই জল দিচ্ছে আগুনের তীব্র তত বাড়ছে ইতিমধ্যে ফোর্ম দেওয়া হয়েছে। ৩৫ থেকে ৪০ টি বাড়ি অগ্নিদগ্ধ। অনেকেই আগুনে ঝলসে গেছেন। তাদেরকে উদ্ধার করে দুর্গাচক হাসপাতালে রাখা হয়েছে। যাদের কন্ডিশন খুবই খারাপ তাদেরকে গ্রীন করিডোর করে তমলুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক তাকে কলিকাতা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত এরিয়া HPL কোম্পানির সুপারভিশনে রয়েছে। তদন্তে রয়েছেন ভবানীপুর থানার পুলিশ।
হলদিয়া পূর্ব মেদিনীপুর জেলা শাসক নিরঞ্জন কুমার এবং জেলা পুলিশ সুপার এছাড়াও হলদিয়ার এসডিও এলাকার ঘুরে দেখেন। জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার জানান ঘটনাস্থলে একজন হাসপাতালে মারা গেছেন নাম মমিনা বিবি বয়স ৩৮। তবে এই ঘটনা নিরপেক্ষ তদন্তে দাবি চাই চেয়েছেন সিপিআইএম পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক মন্ডলী সদস্য পরিতোষ পট্টনায়ক দাবি করেছেন অল ইন্ডিয়া মাইনোরিটি অ্যাসোসিয়েশন জেলা সভাপতি চিনাংশু গোস্বামী। নিহত এবং আহতদের পরিবারের পাশে রয়েছেন হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী তিনি বলেন এই মুহূর্তে চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে তাই জেলা হাসপাতাল এবং কলিকাতা বেসরকারি হাসপাতালে চারজনকে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসা চলছে।এখনো আগুন জ্বলছে ঘটনাস্থলে বারটি ইঞ্জিন রয়েছে আগুন নেভানোর জন্য।
হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের অগ্নিকাণ্ড গত ৮ ই এপ্রিল 2025 আগুন লেগেছিল। এক বছর হতে না হতেই আগুনের রেশ কাটতে না কাটতেই আবার শিল্প তালুকের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো। এবারে ঘটনাস্থল হলদিয়ার চিরঞ্জিবপুর রেল লাইনের ধারে হলদিয়া পেট্রো ক্যামিকেলস এর ন্যাপথা বেরিয়ে আগুন লেগে যায়।
কারখানা সূত্রের খবর, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস এর কর্তৃপক্ষ আহতদের হলদিয়া হাসপাতাল এবং জেলা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাবার তদারকি করছেন তবে কিভাবে এই আগুন লেগেছে এখনো পরিষ্কার নয় তবে একপ্রেস রিলিজে জানিয়েছেন চুরির ঘটনা থেকেই হয়তো এই আগুন লেগেছে।
এলাকার মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। দমকলের ১২ টি ইঞ্জিন এছাড়াও রাস্তায় যে সকল গাড়ি জল দেওয়া হতো তাদেরকেও এই কাজে লাগানো হয়েছে কিন্তু আগুনের তীব্রতা আরো বাড়ছে বলে সূত্রে জানা যায়। হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী হলদিয়া মহকুমা হাসপাতাল এবং জেলা হাসপাতালে আহতদের পাশে রয়েছেন এবং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন।
No comments