Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

হলদিয়া পুরসভার প্রাক্তন কর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

হলদিয়া পুরসভার প্রাক্তন কর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশহলদিয়া পৌরসভা পৌর বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে 2022 সালে ৫ই সেপ্টেম্বর। পৌরসভার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন ৬ই সেপ্টেম্বর হলদিয়ার মহকুমার শাসক সুপ্রভাত চ্যাটার্জী। দীর্ঘ প্রায় চ…

 



হলদিয়া পুরসভার প্রাক্তন কর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

হলদিয়া পৌরসভা পৌর বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে 2022 সালে ৫ই সেপ্টেম্বর। পৌরসভার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন ৬ই সেপ্টেম্বর হলদিয়ার মহকুমার শাসক সুপ্রভাত চ্যাটার্জী। দীর্ঘ প্রায় চার বছর পৌর বোর্ড না থাকায় উন্নয়ন স্তব্ধ হয়ে গেছে। এই সময়ে ঘটেছে অনৈতিক অনেক কাজ। অবশেষে আইনের দরজায় পৌরসভার প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ অফিসার জুলফিকার আলী।

অবৈধ এবং অনুমোদনহীন নির্মাণের জন্য টাকা নিয়ে অনুমোদন দেওয়ার অভিযোগে হলদিয়া পুরসভার প্রাক্তন পুর আধিকারিক (এক্সিকিউটিভ আধিকারক) জুলফিকার আলির বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার, বিচারপতি অমৃতা সিংহের নির্দেশ, ২০২০ সালে থেকে এ বছরের ১০ জুন পর্যন্ত হলদিয়া পুরসভার অডিট করবেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক। অনুমোদনহীন নির্মাণগুলিকে পরবর্তীকালে অনুমোদন দেওয়ার জন্য কত অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে, সেই বিষয়ে অডিট করে তাঁকে আদালতে রিপোর্ট দিতে হবে। এ ছাড়া, এই সময়কালে কত নির্মাণের ক্ষেত্রে নকশার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, সেই তথ্যও দিতে হবে আদালতকে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সাল থেকেই পুরসভার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন পুর - প্রশাসক তথা হলদিয়ার মহকুমাশাসক। ২০২৩ সালে বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছিল হাই কোর্টে। সেই মামলায়, অভিযোগ খতিয়ে দেখে এবং নির্মাণের তথ্যের বিবেচনা করে পুরসভাকে আইনানুগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কোর্ট। আইনজীবী সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে, এক্সিকিউটিভ অফিসার রিপোর্ট  নিয়ে আদালতে জানান যে, ২০০৩ র সালে হলদিয়া পুরসভার গৃহীত প্রস্তাব নির্মাণের অনুযায়ী অনুমোদনহীন ক্ষেত্রে জরিমানা নিয়ে পরবর্তীকালে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ওই রিপোর্ট দেখে আধিকারিকের ভূমিকায় উষ্মা প্রকাশ করেন  বিচারপতি অমৃতা সিংহ। তাঁর মন্তব্য, - "আইনের ভুল ব্যাখ্যা করে অবৈধ নির্মাণেরগুলির অনুমোদন দিয়েছে পুরসভা।" বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আইনে স্পষ্ট বলা রয়েছে, নির্মাণের ক্ষেত্রে পুরসভা থেকে অনুমোদিত নকশা নিতে হয়। কিন্তু হলদিয়া পুরসভার ক্ষেত্রে অবৈধ নির্মাণকে আইন উপেক্ষা করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অবৈধ নির্মাণকারীদের একাধিক অন্যায্য সুযোগ সুবিধা প্রধান করা হয়েছে। 

এ দিন বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, প্রাক্তন পুর আধিকারিক  জুলফিকার আলির সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করবেন জেলাশাসক। জুলফিকারের আইটি নথি এবং অ্যাকাউন্টে থাকার অর্থ আদালতে  জমা দিতে হবে। আগামী অগস্টে ফের এই মামলার শুনানি হবে। সেদিন আদালতে সশরীরে হাজির থাকতে হবে পুর আধিকারিককে।

কেঁচো খুঁড়তে কেউটো বেরোবে না তো? আর কেহ কেহ এর সঙ্গে যুক্ত আছে কিনা তা আগামী দিনে সকল বিষয় পরিষ্কার হবে। ইতি মধ্যে হলদিয়া বন বিষ্ণুপুরে অবস্থিত ভবঘুরেদের আশ্রম করে দেওয়া হয়েছে বৃদ্ধাশ্রম। পৌরসভার নিজস্ব খরচে অপরের জায়গায় বিল্ডিং হয়ে পড়ে রয়েছে উদ্বোধন হয়নি। জায়গার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে তৈরি হয়েছে বিল্ডিং তাতে খরচ হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকা। হলদিয়া ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে অর্ধনির্মিত স্টেডিয়াম হয়ে পড়ে রয়েছে জায়গার বিনিময়ে ফ্যাট তৈরি করে বিক্রি করা হয়েছে। সেই স্টেডিয়াম পড়ে রয়েছে অর্ধনির্মিত ভাবে। সিটি সেন্টারের সোনার তরী বাম বোর্ড থাকাকালীন ব্যবসার জন্য বন্টন করা হয়েছিল। সেই সোনার তরীকে ছিনিয়ে নিয়ে দেওয়া হয়েছে একটি কন্টাকটার কে উদ্বোধনের নেমপ্লেট ও পরিবর্তন হয়েছে। পৌর সভার নিজস্ব ঝাড়ুদার গাড়ি একটি এবং হলদিয়ায় রিফাইনারি দেওয়া আরেকটি মোট দুটি গাড়ি ছিল সেগুলোকে এখন দেখতে পাওয়া যায় না হলদিয়ার শিল্প শহরে গেল কোথায়? তাহলে কি এবার আসল রহস্য প্রকাশ পাবে সময় সে কথা বলবে। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে পৌরসভা এলাকায়।


No comments