Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণের পথে বেলদা পূর্ণাঙ্গ মহকুমার করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক পরিদর্শন

দীর্ঘ  দিনের দাবি পূরণের পথে বেলদা পূর্ণাঙ্গ মহকুমার করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক পরিদর্শন বাম আমল থেকেই বেলদাকে পৃথক প্রশাসনিক মহকুমা করার দীর্ঘদিনের দাবি ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। ২০১৯ সালে বেলদাকে পুলিশ মহকুমায় বিভাজনের পর পূর্ণাঙ্গ…

 


দীর্ঘ  দিনের দাবি পূরণের পথে বেলদা পূর্ণাঙ্গ মহকুমার করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক পরিদর্শন

 বাম আমল থেকেই বেলদাকে পৃথক প্রশাসনিক মহকুমা করার দীর্ঘদিনের দাবি ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। ২০১৯ সালে বেলদাকে পুলিশ মহকুমায় বিভাজনের পর পূর্ণাঙ্গ মহকুমা গঠনের এই দাবি আরও জোরালো হয়। এবার সেই দাবি পূরণ করতে চলেছে বর্তমান বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার। বেলদাকে মহকুমা করার লক্ষ্যে বুধবার বিডিও অফিস সংলগ্ন প্রস্তাবিত স্থানগুলি সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন খড়গপুর মহকুমা শাসক জ্যোতি ঘোষ, নারায়ণগড়ের বিধায়ক রমাপ্রসাদ গিরি-সহ ব্লক প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকেরা। পরিদর্শনের পর বিডিও অফিসে একটি প্রশাসনিক বৈঠক হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নতুন মহকুমা গঠনের এই প্রস্তাবে অফিসটি বেলদাতেই করার কথা রাখা হয়েছে। নারায়ণগড়, দাঁতন ও কেশিয়াড়ি বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত দাঁতনের দুটি ব্লক, কেশিয়াড়ি, নারায়ণগড় ও মোহনপুর—এই পাঁচটি ব্লককে নিয়েই গঠিত হতে চলেছে নতুন বেলদা মহকুমা।

এই বিষয়ে বিধায়ক রমাপ্রসাদ গিরি বলেন, "বাম ও তৃণমূল মুখে বলেছে কিন্তু কাজে করে দেখাতে পারেনি। কয়েকদিনের মধ্যেই নারায়ণগড়ের মানুষ ভালো খবর পেয়ে যাবেন।" অন্যদিকে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, "বেলদা মহকুমা নিয়ে একটি প্রচেষ্টা চলছে। রাজ্যের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে। রাজ্য অনুমোদন দিলেই দ্রুত কাজ শুরু হয়ে যাবে।" সামনেই বর্ষা নামবে। তাঁর আগে এদিন নারায়ণগড়ে দুঃস্থ, কাঁচা মাটির বাড়ির মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ত্রিপল বিলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন জেলা শাসক ও স্থানীয় বিধায়ক। তাঁরা এলাকার বেশ কিছু দুঃস্থ মানুষের হাতে ত্রিপল তুলে দেন। যারা গৃহহীন কিংবা যাঁদের মাটির বাড়ী রয়েছে তাঁদের সবাইকে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে বাড়ী দেওয়ার আশ্বাস দেন স্থানীয় বিধায়ক রমাপ্রাসাদ গিরি। তবে এদিন বিধায়কের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন নারায়ণগড়ের বাসিন্দারা।

No comments