শ্রমমন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপিসংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: হোসিয়ারী শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধির দাবীতে ওয়েস্ট বেঙ্গল হোসিয়ারী মজদুর ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আজ রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং এর দপ্তরে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। এবং দপ্…
শ্রমমন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপি
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: হোসিয়ারী শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধির দাবীতে ওয়েস্ট বেঙ্গল হোসিয়ারী মজদুর ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আজ রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং এর দপ্তরে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। এবং দপ্তরের অ্যাডিশনাল লেবার কমিশনার আশিষ সরকারের সাথে দেখা করেও ঐ দাবী জানানো হয়। প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইউনিয়নের উপদেষ্টা নারায়ণ চন্দ্র নায়ক, সহকারী সম্পাদক অলোক অধিকারী প্রমুখ। স্মারকলিপিতে দাবী করা হয়-শ্রম দপ্তর ঘোষিত হোসিয়ারী শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরী অনুসারে বকেয়া ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ৭ বারের রেটবৃদ্ধি অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।
ইউনিয়নের উপদেষ্টা নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,রাজ্য সরকার প্রতি বছর দু(জানুয়ারী ও জুলাই মাসে)বার বিভিন্ন ক্ষেত্রের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ঘোষণা করে থাকে। সেইমত পূর্বতন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রম দপ্তর গত ৪ (২০২৩,২৪,২৫,২৬) বছরে ৭ বার হোসিয়ারী শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরীবৃৃদ্ধি করলেও রাজ্যের কয়েক লক্ষাধিক হোসিয়ারী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে আজো তা কার্যকর হয়নি। ইতিপূর্বে বিভাগীয় দপ্তরে কয়েকবার জানানোর পর শ্রম আধিকারিকেরা কয়েকটি মিটিং করলেও বাস্তবে কোন ফল হয়নি।
অবিলম্বে গত ৪ বছরের ৭ বার সরকার ঘোষিত ওই মজুরী অনুসারে রেটবৃদ্ধি কার্যকর করার বিষয়ে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে সমস্ত পক্ষ(ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির মালিক অ্যাসোসিয়েশন,মেকার মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও সমস্ত শ্রমিক ইউনিয়ন)'র প্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরী ভিত্তিতে একটি সভা আহ্বান করে অতি সত্বর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবী জানানো হয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজ্যের কলকাতা-পূর্ব মেদিনীপুর প্রভৃতি কয়েকটি জেলায় কয়েক সহস্রাধিক হোসিয়ারী কারখানায় প্রায় লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ করেন। যার মধ্যে ভালো সংখ্যক মহিলা শ্রমিক সহ সামান্য হলেও শিশু শ্রমিক রয়েছে। সেই শ্রমিকরা পায় না রাজ্য সরকারের শ্রম দপ্তরের ঘোষিত ন্যূনতম মজুরী অনুসারে রেট। এছাড়াও শ্রম আইন অনুসারে প্রভিডেন্ট ফান্ড,ই.এস.আই.সহ শ্রমিকদের নানা প্রাপ্য ও অধিকার থেকে ওই শ্রমিকরা বঞ্চিত। অন্যদিকে বেশির ভাগ কারখানাগুলিতে এক পুঁতিগন্ধময় পরিবেশে ওই শ্রমিকেরা কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

No comments