Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

হলদিয়া- কেন্দেমারী ফেরি সার্ভিস জ্বালানি সংকটে বন্ধের মুখে?

হলদিয়া- কেন্দেমারী  ফেরি সার্ভিস জ্বালানি সংকটে বন্ধের মুখে?জ্বালানি তেলের সঙ্কটে বন্ধ হতে চলেছে হলদিয়া টাউনশিপ থেকে নন্দীগ্রামের চরকেন্দ্যামারী ফেরি পরিষেবা। সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ইজারাদার। সোমবার ১৫ ই জুন …

 


হলদিয়া- কেন্দেমারী  ফেরি সার্ভিস জ্বালানি সংকটে বন্ধের মুখে?

জ্বালানি তেলের সঙ্কটে বন্ধ হতে চলেছে হলদিয়া টাউনশিপ থেকে নন্দীগ্রামের চরকেন্দ্যামারী ফেরি পরিষেবা। সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ইজারাদার। 

সোমবার ১৫ ই জুন রাতে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ফেরি পরিষেবার ইজারাদার রবি দাস জানান, “পাম্প মালিক ব্যারেলে তেল না দেওয়ায় যে কোনও মুহূর্তে ফেরি ঘাটে পরিষেবা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।” বিজ্ঞপ্তি দেখার পর থেকেই উদ্বেগে নিত্যযাত্রীরা।

হলদি নদীর একপারে শিল্পশহর হলদিয়া, অন্যপারে নন্দীগ্রাম। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ ফেরি পারাপার করে হলদিয়ায় কাজ ও ব্যবসার জন্য আসেন। সন্ধ্যায় ফের নন্দীগ্রামে ফেরেন। হঠাৎ ফেরি বন্ধ হলে কর্মক্ষেত্রে কীভাবে পৌঁছাবেন, তা নিয়ে চিন্তায় শ্রমিক থেকে ব্যবসায়ীরা। 

ইজারাদার রবি দাস বলেন, “বর্তমানে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ লিটার তেল লাগে। নদীতে চর পড়ে যাওয়ায় জোয়ার-ভাটার উপর ভিত্তি করে তেল বেশি খরচ হয়। যা মজুত আছে তাতে দেড় দিন চলবে। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ফেরি বন্ধ হয়ে যাবে। তেল পাম্পে ব্যারেলে তেল দেওয়া বন্ধ, তাই পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।”

নন্দীগ্রামের বাসিন্দা অমল দাস হলদিয়ার একটি কারখানার শ্রমিক। তিনি বলেন, “ফেরি বন্ধ হলে সড়কপথে অনেকটা ঘুরে আসতে হবে। সময়মতো কারখানায় ঢুকতে পারব কি না সন্দেহ।”

কেন তেল দেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে পাম্পের মালিক কোনও মন্তব্য করেননি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হলদিয়া পৌরসভায় ইজারাদার রবি দাসের সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকের শেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাম্প মালিকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে হলদিয়া পৌরসভা সূত্রে জানা যায়।

No comments