বিজেপি পরিচালিত বেতকুন্ডু গ্রাম পঞ্চায়েত পুনরুদ্ধার করল বিজেপিঅষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনে শেষ হতেই রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি পরিচালিত বেতকুন্ডু গ্রাম পঞ্চায়েত পুনরুদ্ধার করল বিজেপি। বুধবার মহিষাদল বিধানসভার বিধায়ক সুভাষচন্দ্র পাঁ…
বিজেপি পরিচালিত বেতকুন্ডু গ্রাম পঞ্চায়েত পুনরুদ্ধার করল বিজেপি
অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনে শেষ হতেই রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি পরিচালিত বেতকুন্ডু গ্রাম পঞ্চায়েত পুনরুদ্ধার করল বিজেপি। বুধবার মহিষাদল বিধানসভার বিধায়ক সুভাষচন্দ্র পাঁজার নেতৃত্বে গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল নেয় দল।
বেতকুন্ডু গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন ২৬টি। পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি পায় ১৪টি, তৃণমূল ১০টি ও নির্দল ২টি আসন। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি বোর্ড গঠন করে।
বিজেপির অভিযোগ, বোর্ড গঠনের কয়েক মাস পর বিজেপি সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে ঘরছাড়া করা হয়। এরপর ক্ষমতার বলে ও ভয় দেখিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল নেয় তৃণমূল। বিজেপি সদস্যদের পঞ্চায়েতে আসতে দেওয়া হত না।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই গ্রাম পঞ্চায়েতের কাজ থমকে যায়। গত দু’বছর ধরে কোনও উন্নয়নের কাজ হয়নি বলে অভিযোগ।
২০২৬-এর অষ্টাদশ বিধানসভা ভোটে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভুমিপুত্র শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর নির্দেশ, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ ও পুরসভাগুলির কাজের অগ্রগতি ঘটাতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর বুধবার ২০ শে মে বিধায়ক সুভাষচন্দ্র পাঁজার নেতৃত্বে বেতকুন্ডু গ্রাম পঞ্চায়েত পুনরুদ্ধার করা হয়। বিধায়ক বলেন, “গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা যাতে বৃহস্পতিবার থেকে পঞ্চায়েতে এসে নাগরিক পরিষেবা প্রদানের কাজ শুরু করেন, সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে।”
এদিন বিধায়কের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা রামকৃষ্ণ দাস, মহিষাদল বিধানসভার বিজেপির মণ্ডল-৩ সভাপতি চন্দন পাত্র, সাধারণ সম্পাদক সুব্রত পণ্ডা সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বুধবার ২০ শে মে মহিষাদল বিধানসভার বিধায়ক সুভাষচন্দ্র পাঁজার নেতৃত্বে গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল নেয় বিজেপি দল।

No comments