কোলাঘাট ফুলবাজারে সম্প্রতি রেল দপ্তর কর্তৃক বেসরকারীকরণের উদ্যোগকে প্রতিহত করে দ্রুত ফুল সংরক্ষণ সহ সমস্ত রকম পরিষেবাযুক্ত আধুনিক ফুলবাজার নির্মাণের দাবীতে রেল ও হর্টিকালচার দপ্তরে স্মারকলিপিসংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: রাজ্যে…
কোলাঘাট ফুলবাজারে সম্প্রতি রেল দপ্তর কর্তৃক বেসরকারীকরণের উদ্যোগকে প্রতিহত করে দ্রুত ফুল সংরক্ষণ সহ সমস্ত রকম পরিষেবাযুক্ত আধুনিক ফুলবাজার নির্মাণের দাবীতে রেল ও হর্টিকালচার দপ্তরে স্মারকলিপি
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: রাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম কোলাঘাট ফুলবাজারে সম্প্রতি রেল দপ্তর কর্তৃক বেসরকারীকরণের উদ্যোগকে প্রতিহত করে দ্রুত ফুল সংরক্ষণ সহ সমস্ত রকম পরিষেবাযুক্ত আধুনিক ফুলবাজার নির্মাণের দাবীতে আজ কোলাঘাট ফুলবাজার পরিচালন সমিতির পক্ষ থেকে হর্টিকালচার দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। দপ্তরের ডিরেক্টর স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন সমিতির উপদেষ্টা তথা সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক, সভাপতি দেবব্রত কোলে, সম্পাদক দিলীপ প্রামানিক প্রমূখ।
অন্যদিকে ওই একই দাবীতে দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের খড়্গপুরের ডি.আর.এম.কেও স্মারকলিপি দেওয়া হয়। প্রতিনিধিদলে ছিলেন সমিতির সহ-সভাপতি অনিল প্রামাণিক,রঞ্জিত নায়েক।
নারায়ণ চন্দ্র নায়ক জানান,সম্প্রতি রেল দপ্তরের কোলাঘাটের সিনিয়র সেকশনাল ইঞ্জিনিয়ার বাজারটিতে তে-বাজারী টিকিট কাটার যে বন্দোবস্ত রয়েছে, তা বেসরকারীকরণ করবার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন দপ্তরের উচ্চ আধিকারিক এর কাছে। সেইমত দপ্তরের ডি.আর.এম. অফিসও ওই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে। আমরা মনে করি,বাজারটির বেসরকারীকরণ করা হলে, ক্ষুদ্র ফুলচাষী-ব্যবসায়ীরা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এছাড়াও রূপনারায়ণের উপর কোলাঘাটে তৃতীয় রেল ব্রীজ হওয়ার কারণে ফুলবাজার পার্শ্ববর্তী রেলের ওই খাদের খানিক অংশ মাটি ফেলে ভরানো হচ্ছে। এজন্য বর্ষায় ফুলবাজারের জলনিকাশী ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সে কারণে অবিলম্বে বাজারটি রেল দপ্তর কর্তৃক কোলাঘাট ফুলবাজারের বেসরকারীকরণের ঐ উদ্যোগকে প্রতিহত করে বাজারটির পরিধি বাড়ানো জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সহ পরিষেবামূলক ব্যবস্থা চালু করে বাজারটিকে দ্রুত আধুনিক ফুলবাজার হিসেবে গড়ে তোলার দাবীতে আজকে এই স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

No comments