অবিলম্বে জঞ্জাল পরিষ্কার সহ সমস্ত রকম পরিষেবা ব্যবস্থা চালুর দাবীতে আজ রাজ্যের মুখ্য সচিবকে 'সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতি'র স্মারকলিপি পেশ সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক:অবিলম্বে জঞ্জাল পরিষ্কার সহ সমস্ত রকম পর…
অবিলম্বে জঞ্জাল পরিষ্কার সহ সমস্ত রকম পরিষেবা ব্যবস্থা চালুর দাবীতে আজ রাজ্যের মুখ্য সচিবকে 'সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতি'র স্মারকলিপি পেশ
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক:অবিলম্বে জঞ্জাল পরিষ্কার সহ সমস্ত রকম পরিষেবা ব্যবস্থা চালুর দাবীতে আজ রাজ্যের মুখ্য সচিবকে 'সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতি'র স্মারকলিপি পেশ
রাজ্যের বৃহত্তম মল্লিকঘাট ফুলবাজারে গত শনিবার থেকে জঞ্জাল সাফাই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভীষণ সমস্যায় ফুলচাষী-ফুলব্যবসায়ী ও দোকানদারেরা।
বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই কলকাতার মল্লিকঘাট ফুলবাজারে প্রাত্যহিক জঞ্জাল সাফাই নিয়ে শুরু হয়েছে সমস্যা। এ ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্ত মল্লিকঘাট ফুলবাজার পরিচালন সমিতির অফিসে বহিরাগত কিছু ব্যক্তি ৬ই মে চাবির তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় সেই থেকেই প্রাত্যহিক জঞ্জাল পরিষ্কার এর কাজ হচ্ছে না বললেই চলে। মাঝে কয়েকদিন ওই বহিরাগতরাই বেআইনি কুপন ছাপিয়ে চাষী-ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কুড়ি টাকা করে অর্থ আদায় করে কিছু জঞ্জাল বা আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ করছিল। পরবর্তী সময়ে গত শনিবার থেকে ঐ অর্থ আদায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজ বর্তমানে বন্ধ। দোকানদারেরা খানিকটা জঞ্জাল নিজ দায়িত্বে ভ্যাটে ফেলালেও চাষী-ব্যবসায়ীরা যেখানে বসে ফুল বিক্রি করে সেই জায়গায় জমা হয়েছে বর্তমানে জঞ্জালের স্তুপ। যেখান থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমনিতেই বাজারটি বসে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। তার উপর প্রত্যহ জঞ্জাল পরিষ্কার না হওয়ায় গোটা বাজারটিতে এক পুতিগন্ধময় পরিবেশ বিরাজ করছে।
সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,রাজ্যে এখনো পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত না হওয়ার কারণে হর্টিকালচার দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীই রয়েছেন। ইতিমধ্যে নবগঠিত সরকারের পক্ষ থেকে পূর্বতন সমস্ত সরকারী কমিটিগুলি ভেঙে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সেইমতো বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার নেতৃত্বে গঠিত মল্লিকঘাট ফুলবাজার পরিচালন সমিতিও কার্যত অকার্যকরী। এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবার দাবী জানিয়ে সমিতির পক্ষ থেকে ২৫ শে মে রাজ্যের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও দপ্তরের প্রধান সচিব ওঙ্কার সিং মিনাকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
আজ সমিতির পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্য সচিবের নিকট স্মারকলিপি পেশ করে বাজারটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে নতুন কমিটি তৈরি করে প্রাত্যহিক জঞ্জাল সাফাই সহ সমস্ত রকম পরিষেবা ব্যবস্থা চালু রাখার দাবী জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,হাওড়া ব্রীজ সংলগ্ন কলকাতার দিকে গঙ্গার পাড়ে অবস্থিত ওই ফুলবাজারটি প্রত্যহ ভোর ৩ টে থেকে রাত্রি ১০টা পর্যন্ত বসে। মাত্র ৩৪০০ বর্গ মিটার জায়গার উপর বসা এই ফুলবাজারে হাওড়া,পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর,নদীয়া,উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা প্রভৃতি জেলা থেকে আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ হাজার ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী প্রত্যহ ফুল কেনাবেচার কারণে আসে। বাজারটি আয়তনে খুব ছোট হওয়ায় বহু ফুলচাষী বাজার সংলগ্ন স্ট্যান্ড ব্যাংক রোডের দুধারে বসে ফুল কেনাবেচা করতে বাধ্য হয়। সেজন্য স্থানীয় তোলাবাজরা চাষী-ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থও আদায় করে।
No comments