Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

ফের কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি ; বোরোধান চাষের পাকা ধান চাষীরা ঘরে তুলতে ভীষণ সমস্যায়

ফের কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি ; বোরোধান চাষের পাকা ধান চাষীরা ঘরে তুলতে ভীষণ সমস্যায়সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক:   ফের বুধবার থেকে কয়েকদিনের কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি। এপ্রিল মাসের শুরুতে কালবৈশাখীর কারণে বোরো ধানের জমিতে জল জমে যাওয়ায…

 




ফের কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি ; বোরোধান চাষের পাকা ধান চাষীরা ঘরে তুলতে ভীষণ সমস্যায়

সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক:   ফের বুধবার থেকে কয়েকদিনের কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি। এপ্রিল মাসের শুরুতে কালবৈশাখীর কারণে বোরো ধানের জমিতে জল জমে যাওয়ায় এমনিতেই পাকা ধান কাটতে দেরি হচ্ছে। কোলাঘাট ব্লকের প্রায় সমস্ত নিকাশী খালগুলিতে ব্রীজ তৈরি ও খাল সংস্কারের কাজ চলতে থাকার কারণে দেওয়া হয়েছিল,খালের উপর আড়া-আড়ি ভাবে ক্রশবাঁধ। সেই ক্রশবাঁধগুলি সম্পূর্ণরূপে তুলে না দেওয়ার কারণে ওই কালবৈশাখীর বৃষ্টির জল মাঠ থেকে ঠিকমতো বের হয়নি। ফলস্বরূপ বোরো মরশুমের ধান চাষের পাকা ধান চাষীরা ঘরে তুলতে বর্তমানে ভীষণ সমস্যায় পড়েছেন। এখনো অনেক মাঠে জল-কাদা থাকায় ধান কাটার হারভেস্টার মেশিনও নামানো যায়নি। তার উপর ফের বুধবার থেকে আগামী কয়েক দিন কালবৈশাখীর পূর্বাভাস থাকায় কৃষকদের মাথায় হাত। অবিলম্বে নিকাশী খালের ভেতরে ওই ক্রসবাঁধগুলো সম্পূর্ণরূপে তুলে দেওয়ার দাবীতে আজ কৃষক সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে কোলাঘাটের বিডিও'কে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

        কৃষকদের অরাজনৈতিক সংগঠন কৃষক সংগ্রাম পরিষদের সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,ফি বছরের বন্যা ও জলবন্দী সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বাসিন্দাদের দীর্ঘ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সেচ দপ্তরের তত্ত্বাবধানে রূপনারায়ন-কংসাবতী নদী সহ দেহাটি-সোয়াদিঘী-জঁফুলি-দেনান-টোপা-কামিনা-জয়গোপাল প্রভৃতি সমস্ত নিকাশী খালগুলির সংস্কার কাজ শুরুর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। ওই সংস্কার কাজ কোনোটা শুরু হয়েছে,কোনোটা অর্ধেক হয়েছে। দেহাটি খাল সহ কয়েকটি খালের ক্ষেত্রে এখনো মাটি বিক্রির পোর্টালই চালু করা হয়নি।

         অন্যদিকে ব্রীজ তৈরির কারণে ও খাল সংস্কারের জন্য খালের ভেতরে যে ক্রশবাঁধগুলি দেওয়া হয়েছে,তা সম্পূর্ণরূপে তুলে না দেওয়ার ফলে মাঠে কালবৈশাখীর জমে থাকা জল ঠিকমতো বের হতে পারেনি। সেজন্যে বোরো মরশুমের ধান তুলতে বিলম্ব হচ্ছে। এরপর ফের কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে কৃষকেরা ভীষণ সমস্যার সম্মুখীন।

        আমরা চাই, পূর্বের জমে থাকা জল দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য সমস্ত ক্রশবাঁধগুলি অবিলম্বে সম্পূর্ণরূপে কেটে দেওয়া হোক। অপরদিকে যেহেতু বর্ষা আসতে আর মাত্র দেড় মাস বাকী,সেজন্যে অতি সত্বর খাল সংস্কারের কাজের গতি বাড়িয়ে আগামী বর্ষার পূর্বে ব্লকের অধিবাসীবৃন্দকে বিধ্বংসী বন্যা ও কয়েক মাস ধরে ফি বছরের জলবন্দী পরিস্থিতির হাত থেকে রেহাই দিতে জরুরী ভিত্তিতে নজরদারি সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। দেহাটি সহ যে খালের ক্ষেত্রে এখনো মাটি বিক্রির পোর্টালই চালু করা হয়নি,তাও অতি সত্বর চালু করা হোক।



No comments