অবৈধ মাছের ভেড়ি বন্ধ করতে ভূমি ও প্রশাসন দপ্তরে গন স্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি
চাষযোগ্য জমিতে বেআইনি মাছের ভেড়ি তৈরির উদ্যোগের বিরুদ্ধে অনিচ্ছুক কৃষকদের ভূমি ও প্রশাসন দপ্তরের আধিকারিকের নিকট গণস্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি পেশসংব…
অবৈধ মাছের ভেড়ি বন্ধ করতে ভূমি ও প্রশাসন দপ্তরে গন স্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি
চাষযোগ্য জমিতে বেআইনি মাছের ভেড়ি তৈরির উদ্যোগের বিরুদ্ধে অনিচ্ছুক কৃষকদের ভূমি ও প্রশাসন দপ্তরের আধিকারিকের নিকট গণস্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: কোলাঘাটের দেড়িয়াচক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় চাষযোগ্য কৃষিজমিতে বেআইনি মাছের ভেড়ি তৈরির উদ্যোগের বিরুদ্ধে অনিচ্ছুক কৃষকেরা আজ ভূমি ও ভূমি রাজস্ব এবং প্রশাসন দপ্তরের আধিকারিকদের নিকট গণস্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ করেন।
তমলুক মহকুমা বেআইনি মাছের ঝিল বিরোধী কৃষক সংগ্রাম কমিটির মুখপাত্র নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,গত ৩ রা এপ্রিল কোলাঘাট ব্লকের দেড়িয়াচক গ্রাম পঞ্চায়েতের বাগিচা-কুমারচক (জে.এল.নম্বর-৩১৬)গ্রামের মধুসূদন সামাই(পিতা-বিষ্ণুপদ),অলক সামন্ত(পিতা-সুধীর), প্রণব সামাই(পিতা-গিরিধর) ও গুরুপদ সামন্ত(পিতা- পঞ্চানন) গ্রাম-বাঙালপুর প্রমূখ ব্যক্তিদের উদ্যোগে কয়েকজন বড় চাষী এক ভেড়ি মালিক কে সঙ্গে নিয়ে ওই মৌজার দক্ষিণ অংশে ভেড়ির জন্য জমি জরিপের কাজ শুরু করে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ভেড়ির জন্য জমি দিতে অনিচ্ছুক কৃষকেরা আতঙ্কিত হয়ে আজ জেলা শাসক ও বি ডি ও এবং জেলা ও ব্লক ভূমি-ভূমি রাজস্ব আধিকারিক কে গণস্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেন। তাদের দাবী-ওই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় অসংখ্য বেআইনি মাছের ভেড়ি তৈরি হওয়ার কারণে ইতিমধ্যে মৌজার জলনিকাশী অবরুদ্ধ হয়ে বর্ষার সময় তাদের গ্রাম সহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলি প্রায় তিন থেকে চার মাস জলবন্দী অবস্থায় থাকে। এই অবস্থায় মৌজার দক্ষিণ অংশে যে চাষযোগ্য জমি আছে,সেই জমিতে নুতন করে একটি মাছের ভেড়ি তৈরির প্রচেষ্টা চলছে। আমরা কোনভাবেই ওই কৃষিজমিতে চাষ নষ্ট করে ও জলনিকাশী অবরুদ্ধ করে বেআইনি মাছের ভেড়ি করতে দেব না।

No comments