ফুল থেকে ভেষজ রং বা আবির তৈরির বিশেষ পরিকল্পনা না থাকায় হোলিতে রাসায়নিক রং এরই রমরমা সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: ফুল থেকে ভেষজ রং বা আবির তৈরির ভাবনা বহুদিন পূর্বের। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ডক্টর সিদ্…
ফুল থেকে ভেষজ রং বা আবির তৈরির বিশেষ পরিকল্পনা না থাকায় হোলিতে রাসায়নিক রং এরই রমরমা
সংবাদদাতা-নারায়ণ চন্দ্র নায়ক: ফুল থেকে ভেষজ রং বা আবির তৈরির ভাবনা বহুদিন পূর্বের। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ডক্টর সিদ্ধার্থ দত্ত প্রায় ১৫-২০ বছর পূর্বে এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে সরকারী কোন বিশেষ উদ্যোগ পরিলক্ষিত না হওয়ায় দোল বা হোলিতে ব্যাপকভাবেই রাসায়নিক আবির বা রং-ই ব্যবহার হতে চলেছে।
সারা বাংলা ফুলচাষী ও ফুলব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়ক বলেন,যে সময় ফুলের দাম থাকে না,সেই সময় বিপুল পরিমাণ নানা ধরনের ফুল চাষীরা ফেলে দিতে বাধ্য হয়। অথচ এই ফুল দিয়ে ভেষজ রং বা আবির তৈরি করা হলে একদিকে যেমন ফুলচাষীরা ওই ফুল থেকে খানিকটা দাম পেত,পাশাপাশি ভেষজ রং বা আবির ব্যবহার করে বহু মানুষজন উপকৃত হত। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিল-ফুল থেকে আবির ও ভেষজ রং তৈরি করবার উদ্যোগ নিতে হবে বিভাগীয় দপ্তরকে। আমাদের সমিতির পক্ষ থেকে পূর্বতন ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি দপ্তরের মন্ত্রী এবং রাজ্য সরকারের কৃষি ও হর্টিকালচার দপ্তরের মন্ত্রী সহ বিভাগীয় আধিকারিকদের কাছে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও আশ্চর্যের বিষয়,আজও পর্যন্ত কার্যত কোনো কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। গত ৮ ই ডিসেম্বর ২০২৫ রাজ্যের এম এস এম ই দপ্তরের উদ্যোগে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার শিল্পদ্যোগী সহ প্রশাসনিক আধিকারিকদের সভায় এ ব্যাপারে আমাদের সমিতির পক্ষ থেকে দাবী জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারপরও তিন মাস অতিক্রান্ত হলেও প্রশাসনের কোন উদ্যোগ আমাদের নজরে আসেনি।
যত শীঘ্র সম্ভব এ বিষয়ে উদ্যোগী হওয়ার জন্য নারায়ণবাবু দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে আবেদন জানান।

No comments