অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে মোড়ে মোড়ে পুলিশের নাকা চেকিং
নির্বাচনী বিধি লাগু হওয়ার পর জেলা জুড়ে পুলিশি সতর্কতা বেড়েছে। বহিরাগতরা যাতে জেলা ঢুকে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, বাহির থেকে যাতে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমান অর…
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে মোড়ে মোড়ে পুলিশের নাকা চেকিং
নির্বাচনী বিধি লাগু হওয়ার পর জেলা জুড়ে পুলিশি সতর্কতা বেড়েছে। বহিরাগতরা যাতে জেলা ঢুকে অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, বাহির থেকে যাতে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমান অর্থ জেলা প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য জেলা প্রশাসনের নির্দেশে জেলা পুলিশ জেলার সীমান্ত এলাকা সহ জেলার মোড়ে মোড়ে অস্থায়ী নাকা চেকিং চালু করেছে।সন্দেহ জনক গাড়ি দেখলেই কেন্দ্রীয়বাহিনী, পুলিশ ও নির্বাচন দপ্তরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে তল্লাশি শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় নথিও সংগ্রহ করা হচ্ছে পুলিশের পক্ষ থেকে।
গণতন্ত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব হল ভোট উৎসব। কিন্তু ভোট আর হিংসা যেন বর্তমান সময়কালে সমার্থক হয়ে উঠেছে। ভোটের সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিভিন্ন গ্রাম। রাজনৈতিক হিংসায় বলি হতে হয় বহু নিরীহ মানুষকে। বোম- বন্দুকের বিকট আওয়াজে কেঁপে ওঠে নিরীহ মানুষের প্রাণ। তবে ভোটের এই চেনা ছবিকে দূরে সরিয়ে চলতি ভোট হোক সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ । উৎসবের মেজাজে ভোট দান করুক ভোটাররা। চলতি নির্বাচনে এই ভাবনা নিয়ে জেলা নির্বাচনী পরিবেশ শান্তি বজায় রাখতে তৎপর পুলিশ প্রশাসন। ইতিমধ্যে জেলা ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলায় প্রবেশ করেছে বলে জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাইল জানান। তিনি জানান, " জেলার প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় তিনটি করে নাকা চেকিং এর জন্য অস্থায়ী পোস্ট খোলা হচ্ছে।এছাড়াও প্রয়োজন মতো সীমান্ত এলাকা গুলিতেও নাকা চেকিং পোস্ট থাকছে। ৫০ হাজার টাকা নগদ নিয়ে যাওয়া যেতে পারে তার বেশি হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হবে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া সংগঠিত করার জন্য আমরা নির্বাচন কমিশনের গাইড লাইন মেনেই কাজ করে চলেছি।"
নির্বাচন এলেই এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বস্তা বস্তা টাকা ও আগ্নেয়াস্ত্র আদান প্রদান ঘটে। তার প্রতিরোধ করতেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয়ে উঠেছে।
এখন পর্যন্ত বিপুল পরিমান অর্থ বা আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের খবর নেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এমনটাই জানান জেলাশাসক ইউনিস ঋষিন ইসমাইল।।

No comments