নব দুর্গা ও মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানের কি বার্তা দিলেন হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাধন জানা
বাসুদেবপুর এইচএফসি ময়দানে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছর শুরু হল নবদূর্গা ও মহাযজ্ঞা অনুষ্ঠান। ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে চলবে আগামী ২৮…
নব দুর্গা ও মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানের কি বার্তা দিলেন হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাধন জানা
বাসুদেবপুর এইচএফসি ময়দানে প্রত্যেক বছরের ন্যায় এ বছর শুরু হল নবদূর্গা ও মহাযজ্ঞা অনুষ্ঠান। ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে চলবে আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত প্রত্যেকদিন সকাল থেকে যজ্ঞ অনুষ্ঠান এবং দুর্গার যে নবরূপ সেই রূপের বিভিন্ন দিনের পূজা অনুষ্ঠান। কমিটি তরফ থেকে জানান হলদিয়া বাসীসহ এলাকার মানুষের সুখ সমৃদ্ধি কামনার জন্যই এই নবরাত্রি মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। মহা নবমীর দিন মহা প্রসাদ সকল ভক্তের জন্য দেওয়া হয়। এই মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে হিমালয় থেকে শুরু করে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসেছেন সন্ন্যাসীগণ। বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে বাসুদেবপুর এইচএফসি মাঠ থেকে ক্ষুদিরাম স্কয়ার পর্যন্ত শোনা যাচ্ছে বৈদিক মন্ত্র। আজ জানালেন কমিটির সভাপতি কোষাধ্যক্ষ এবং যুগ্ম সম্পাদক সহ আয়োজক সংস্থার সদস্য ও সদস্যা বৃন্দ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হলদিয়ার ডেভেলপমেন্ট অথরিটি ভাইস চেয়ারম্যান সাধন জানা তিনি কি বার্তা দিলেন।
প্রসঙ্গত, দুর্গাপুজোর সঙ্গে ৯ শব্দটির সম্পর্কটি বেশ আশ্চর্যের। যদিও বাঙালিরা ষষ্ঠী থেকে দশমী অবধি মা দুর্গার পুজোয় সামিল হই আমাদের অনেকেরই বোধহয় জানা নেই যে মহলায়ার অমাবস্যার পরদিন অর্থাৎ প্রতিপদ তিথি থেকেই কিন্তু দেবীপক্ষের সূচনালগ্ন ঘোষিত হয় এবং সেই তিথি থেকে পরপর ন'দিন কিন্তু দেবী দুর্গার জন্য পালিত হয় নবরাত্রি। তাই দুর্গা পুজো আর নবরাত্রি আলাদা নয় একে অপরের পরিপূরক।
ভারতবর্ষের বহুস্থানেই নবরাত্রি বেশ সাড়ম্বরে পালিত হয়। বাঙালীদের স্মরণে মননে এই সময় দুর্গা থাকলেও নবরাত্রির সঙ্গে হয়ত তাদের বিশেষ পরিচিতি নেই। অথচ হিন্দু পুরাণশাস্ত্র অনুসারে দেবী দুর্গার নয়টি রূপ বা নবদুর্গার পুজোই হয় ন'দিন ব্যাপী নবরাত্রিতে। ৯ রাত্রিতে ৯ ভিন্ন রূপে দেবী পূজিতা হন। প্রতিপদ-এ তিনি গিরিরাজ হিমালয়-কন্যা দেবী শৈলপুত্রী, দ্বিতীয়া-য় তপশ্চারিনী দেবী ব্রহ্মচারিনী, তৃতীয়া-য় শান্তি ও কল্যাণের দেবী চন্দ্রঘন্টা, চতুর্থী-তে ব্রহ্মাণ্ডউৎপন্নকারিনী দেবী কুষ্মান্ড,পঞ্চমীতে কুমার কার্তিকেয়র মাতা দেবী স্কন্দমাতা, ষষ্ঠীতে মহর্ষি কাত্যায়নের কন্যা দেবী কাত্যায়নী, সপ্তমীতে দুষ্টের দমনকারী দেবী কালরাত্রি, অষ্টমীতে মহাদেব-পত্নী দেবী গৌরী এবং নবমীতে সর্বসিদ্ধি প্রদায়িনী দেবী সিদ্ধিদাত্রী। এই হল দুর্গার নয়টি ভিন্ন রূপ।
সারা জেলার মধ্যে প্রথম শুরু করেছিলেন প্রয়াত স্বপন নস্কর বর্তমানে তার উত্তরসূরী স্বপন দাস ( জহর) অমিত প্রামাণিক এবং সুদীপ নস্কর সহ তার শুভানুধ্যায়ী সহযোগী সকলেই এই পুজো চালিয়ে আসছেন। এই পুজোর অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ এক কুইন্টাল শুকনো লঙ্কা আহুতি দেওয়া হবে নবমী তিথিতে। এই লঙ্কা আহুতি দেখার জন্য বহুদূরান্ত ভিন্ন জেলা থেকেও আসেন বহু ভক্ত প্রণার্থী ও শুভানুধ্যায়ী,এই মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে কমিটির তরফ থেকে সকলকে সাদর আহ্বান জানালেন।
No comments