বন্দরে অশনি সংকেত কালো ছায়া দেখছে কন্টাকটার অ্যাসোসিয়েশনপূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৯ সালে ১লা নভেম্বর এ্যাঙ্কারেজে পণ্য ওঠা নামানোর মধ্য দিয়ে সেই বন্দর তিলে তিলে তিল তোমায় হয়েছে। সারা পৃথিবীর …
বন্দরে অশনি সংকেত কালো ছায়া দেখছে কন্টাকটার অ্যাসোসিয়েশন
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৯ সালে ১লা নভেম্বর এ্যাঙ্কারেজে পণ্য ওঠা নামানোর মধ্য দিয়ে সেই বন্দর তিলে তিলে তিল তোমায় হয়েছে। সারা পৃথিবীর মানচিত্রে হলদিয়া বন্দর তার শ মহিমায় বিরাজ করছে। হলদিয়া বন্দরের অনেকগুলি বার্থ রয়েছে ইতিমধ্যে একটি বার্থকে আদানী গ্রুপকে দেওয়া হয়েছে। হলদিয়া বন্দরে আটশত তিরিশ থেকে প্রায় এক হাজার শ্রমিক বর্তমানে কর্মরত ৩০ জন কন্টাকটারস রয়েছেন। গত ৯ ই জুন ২০২৫ সমস্ত কন্টাকটারদের নিয়ে সভা করেছিলেন কেন্দ্র সরকারের জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। বন্দরের এই অশনি সংকেত আসছে উপলব্ধি করেই সমস্ত স্টেট হোল্ডার কন্টাক্টারদের উদ্দেশ্যে তিনি বন্দরের চেয়ারম্যান, ডেপুটি চেয়ারম্যানের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন সুখে দুখে এই সকল ছোট কন্টাকটাররাই রয়েছিলেন তাদের পেটে যেন লাথি না পড়ে এমনই কোন পদক্ষেপ যাতে বন্দর না নেন।
অশনি সংকেতের কালো ছায়া এক বছর হতে না হতেই পড়ে গেল সেই সকল কন্টাক্টারদের উপর। গতকাল একটি অনলাইন টেন্ডার হয়েছে সেখানে প্রায় ৬৬কোটি টাকা সেই টেন্ডার এ অংশগ্রহণ করতে গেলে এই সকল কন্টাকটারদের পক্ষে সম্ভব নয় কন্টাকটার এসোসিয়েশন সকল সদস্যরা আজ সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানালেন বন্দর কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের পেটের লাথি মারার চেষ্টা করছেন শুধু আমরা নয় আমাদের সঙ্গে প্রায় আরও এক হাজার মানুষ রয়েছেন এবং শ্রমিকরা ও দ্বিধা দ্বন্দ্বের ভুগছেন। এই টেন্ডার ছোট ছোট করে ৪-৫ ভাগে করে দিলে তাহলে সকলেই কাজ করতে পারতেন কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষ না শুনেই বড় টেন্ডার দিয়েছেন যাতে আমরা কেউই এই টেন্ডারে অংশগ্রহণ করতে না পারি। আরো বলেন বন্দর কর্তৃপক্ষ যদি এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করেন তাহলে আগামী দিনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনের সম্মুখীন হবো বলে জানিয়েছেন। আগামী দিনে আন্দোলনের পথে কি বার্তা দিলেন কন্টাকটার এসোসিয়েশনের সম্পাদক সভাপতি ও সদস্যগণ।

No comments