Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

নেশার’ স্বর্গরাজ্য! পুলিশের অভিযানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বিঘার পর বিঘা পোস্ত চাষ

কেলেঘাইয়ের চরে ‘নেশার’ স্বর্গরাজ্য! পুলিশের অভিযানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বিঘার পর বিঘা পোস্ত চাষকেলেঘাই নদীর তীরে চলছিল নিষিদ্ধ আফিম তৈরির নীল নকশা। বিঘার পর বিঘা জমিতে রমরমিয়ে চলছিল বেআইনি পোস্ত চাষ। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। গোপন সূ…

 



কেলেঘাইয়ের চরে ‘নেশার’ স্বর্গরাজ্য! পুলিশের অভিযানে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বিঘার পর বিঘা পোস্ত চাষ

 

কেলেঘাই নদীর তীরে চলছিল নিষিদ্ধ আফিম তৈরির নীল নকশা। বিঘার পর বিঘা জমিতে রমরমিয়ে চলছিল বেআইনি পোস্ত চাষ। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পটাশপুর ১ নম্বর ব্লকে এক বিশাল মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে সেই সাম্রাজ্য ধূলিসাৎ করে দিল পুলিশ ও প্রশাসন।

অভিযানের নেপথ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর ১ ব্লকের অযোধ্যাপুর ও আড়গোড়া মৌজায় কেলেঘাই নদীর চরে বিঘার পর বিঘা জমিতে বেআইনিভাবে পোস্ত চাষ করা হচ্ছিল। স্থানীয় সূত্রে খবর, চলতি বছরে প্রায় চার বিঘা জমিতে এই চাষ ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রশাসনের প্রাথমিক অনুমান, এই পোস্ত থেকেই তৈরি হতো মারণ মাদক আফিম।

উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত পুলিশি অভিযানে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে পোস্ত খেত। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৪০ কেজি পোস্ত গাছ ও ঢুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল পাচারের উদ্দেশ্যেই মজুত করা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন:

পটাশপুর-১ ব্লকের বিডিও করিমুল ইসলাম।

মহকুমা পুলিশ আধিকারিকগণ।

আবগারি বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা।

কেন এই চাষ নিষিদ্ধ? বিশেষজ্ঞদের মতে, পোস্তর আঠা থেকেই তৈরি হয় মারাত্মক মাদক আফিম। অর্থনৈতিকভাবে এক বিঘা জমিতে পোস্ত চাষ করলে প্রায় তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত উপার্জন সম্ভব, যা চাষিদের এই নিষিদ্ধ পথে পা বাড়াতে প্রলুব্ধ করে। তবে আইনত এই চাষ দণ্ডনীয় অপরাধ। সরকারি নিয়ন্ত্রণে কোথাও পোস্ত চাষ হলেও, নিয়ম অনুযায়ী উৎপাদনের পর তার খোলাগুলি সম্পূর্ণ নষ্ট করে দিতে হয়।

"মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে কয়েক বিঘা বেআইনি পোস্ত চাষ নষ্ট করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যারা যারা এর মধ্যে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" > — মিতুন কুমার দে (ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার, পূর্ব মেদিনীপুর)

বর্তমান পরিস্থিতি

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশের অনুমান, প্রশাসনের আসার খবর পেয়েই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছে। তবে অপরাধীদের চিহ্নিত করতে তল্লাশি জারি রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

No comments