মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভায় তৃণমূল-বিজেপি সদস্যদের বাগবিতণ্ডা
মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সাধারণ সভা চলাকালীন তৃণমূল ও বিজেপির সদস্যদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হল। রুটিন অনুযায়ী সাধারণ সভা না হওয়া, প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের হাঁস-মুরগির ছান…
মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সভায় তৃণমূল-বিজেপি সদস্যদের বাগবিতণ্ডা
মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতির সাধারণ সভা চলাকালীন তৃণমূল ও বিজেপির সদস্যদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হল। রুটিন অনুযায়ী সাধারণ সভা না হওয়া, প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের হাঁস-মুরগির ছানা বিজেপি পঞ্চায়েতকে এড়িয়ে বিলি করা সহ নানা ইস্যুকে সরব হন বিরোধী দলনেতা বিজেপির রঘুনাথ । এনিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী এবং বিডিওকে কাঠগড়ায় তোলেন বিরোধী দলনেতা। তাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক তর্ক-বিতর্ক হয়। এরপর সভা শেষ করে বেরিয়ে যান বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী, পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শিউলি দাস এবং বিডিও বরুণাশিস সরকার। তাঁদের সঙ্গে বেরিয়ে যান তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত সাধারণ সভার অন্য সদস্যরা। যদিও বিজেপির সদস্যরা ওখানেই বসেছিলেন। বিকাল ৫টা নাগাদ তাঁরা সভাকক্ষ ত্যাগ করেন।
এনিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা বলেন,
২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোট হয়েছে। ওই বছর কোনও সাধারণ সভা হয়নি। ২০২৪ সালে সেপ্টেম্বর একবার সাধারণ সভা হয়েছিল। তারপর ২০২৫ সালে ডিসেম্বর মাসে সভা ডাকা হল। অথচ, নিয়ম অনুযায়ী তিন মাস অন্তর সাধারণ সভা হওয়ার কথা। পঞ্চায়েত সমিতিতে কেন রুটিন মেনে সাধারণ সভা হয়নি সেই প্রশ্ন করেছি। উন্নয়নের দ্বিচারিতা চলছে। বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতকে হাঁস-মুরগির বাচ্চা দেওয়া হয়নি। এটা চূড়ান্ত অন্যায়। এই বঞ্চনা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় তৃণমূল নেতাদের ভালো লাগেনি। বিধায়ক তিলকবাবু বলেন, এদিন সাধারণ সভার বৈঠক চলাকালীন স্থায়ী সমিতি ভিত্তিক আলোচনা চলছিল। তাতে বিজেপির সদস্যরা বক্তব্য রাখছিলেন। বিরোধী দলনেতা বলতে ওঠেই অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বলতে শুরু করেন। ওই অবস্থায় পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী সভা শেষ করে দেন। আমরা সকলে চলে আসি।
No comments