Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

হাসপাতাল না যমপুরী? আঁতকে উঠলেন রাজ্য কর্তারা,

হাসপাতাল না যমপুরী? আঁতকে উঠলেন রাজ্য কর্তারা,  শুক্রবার হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিনিধি দল। কীভাবে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে হাসপাতাল চলছে এদিন সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন…

 



হাসপাতাল না যমপুরী? আঁতকে উঠলেন রাজ্য কর্তারা, 

 শুক্রবার হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিনিধি দল। কীভাবে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে হাসপাতাল চলছে এদিন সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন তাঁরা। লেবার ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটারের বিল্ডিং দেখে রীতিমতো আঁৎকে উঠতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তাকে। ওই বিল্ডিংয়ের কলামগুলি ফেটে চৌচির হয়েছে। লেবার ওয়ার্ডে খসে পড়ছে চাঙড়। চারপাশে বিশাল বটগাছ গজিয়ে উঠেছে। রাজ্য প্রতিনিধিরা শিল্পশহরের সরকারি হাসপাতালের এমন দুর্দশা দেখে হতবাক। রোগীর পরিবার, নার্স, ডাক্তাররা অভিযোগ করেন, হাসপাতালে মাথার উপর ছাদ যেকোনও সময়ে ভেঙে পড়তে পারে, আবার বিষধর সাপের ছোবল কখন খেতে হবে কেউ জানে না। হাসপাতালের আউটডোরের তলায় প্রায় ১৫ হাজার স্কয়ার ফুট জুড়ে রয়েছে বিশাল আন্ডারগ্রাউন্ড। সেই অংশ জলে ডুবে রয়েছে। সরেজমিনে সেই অংশ দেখে ডিরেক্টর বলেন, এ তো দেখছি হাসপাতালের ভিতর সুইমিং পুল! হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই অংশে প্রচুর সাপ ও মশার উপদ্রব রয়েছে। এদিন মহকুমা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা (প্ল্যানিং এন্ড ডেভলপমেন্ট) দীপঙ্কর মাজি এবং যুগ্ম অধিকর্তা মানবেন্দ্র ঘোষ। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন তমলুক জেলার সিএমওএইচ বিভাস রায়, অতিরিক্ত জেলাশাসক মানস মণ্ডল, হলদিয়ার মহকুমাশাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস ও পিডব্লুডি'র পদস্থ আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়াররা। পুরনো হাসপাতাল বিল্ডিং ঘুরে দেখে কীভাবে বিকল্প ব্যবস্থা করে চিকিৎসা পরিষেবা চালু রাখা যায় তানিয়ে আলোচনা করেন। এজন্য ওই সরকারি দল পুরনো এসডিও অফিস, ট্রমা কেয়ার সেন্টার সহ একাধিক জায়গা ঘুরে দেখেন। এইচডিএর ট্রমা কেয়ার সেন্টার ঘুরিয়ে দেখান এইচডিএর ভাইস চেয়ারম্যান সাধন জানা। প্রসঙ্গত, প্রায় দু'বছর আগে মহকুমা হাসপাতালের পুরনো বিল্ডিংকে পিডব্লুডি 'বিপজ্জনক বিল্ডিং' ঘোষণা করেছে। তার পরও সেখানে ঝুঁকি নিয়েই রোগীর চিকিৎসা চালাতে বাধ্য হচ্ছেন হলদিয়া মহকুমা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রাণ হাতে নিয়ে চিকিৎসা করেন ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্য কর্মীরা। জানা গিয়েছে, নির্মাণের পর ১৯৯১ সালে মহকুমা হাসপাতাল বিল্ডিং হস্তান্তর করে পিডব্লুডি। কিন্তু পিডব্লুডির ব্লু-বুকে হাসপাতালের নাম না থাকায় নিয়মিত বিল্ডিং রক্ষণাবেক্ষণ হত না বলে অভিযোগ। এদিন স্বাস্থ্য অধিকর্তা বলেন, নতুন একটি ৮ তলার হাসপাতাল বিল্ডিং তৈরি হবে। বড় প্রজেক্ট সেজন্য সময় লাগবে। কারণ বিভিন্ন জায়গা থেকে অনুমোদন নিতে হবে। তার আগে কীভাবে নিয়মিত হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় সেজন্য পরিকল্পনা করতেই এদিন পরিদর্শন করেছেন সবাই। দ্রুত মেরামতের জন্য কয়েকটি অন্য পরিকাঠামো ব্যবহার করা হবে।

No comments