স্কুলে পালিত হল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মদিন!
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে একটি সার্কুলার করা হয়েছিল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক-শিক্ষিকা মনিষীদের জন্মদিন উদযাপন যাতে করা হয়। তাতে ছাত্র-ছাত্রীদের মন ভালো থাকবে। …
স্কুলে পালিত হল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মদিন!
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে একটি সার্কুলার করা হয়েছিল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক-শিক্ষিকা মনিষীদের জন্মদিন উদযাপন যাতে করা হয়। তাতে ছাত্র-ছাত্রীদের মন ভালো থাকবে। সমাজের বিভিন্ন বিষয়ে তারা অবগত হবে। সে কথা মাথায় রেখেই ব্রজনাথচক স্টেট প্ল্যান প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা একত্রিত হয়ে স্কুলের প্রায় ১২০ জন ছাত্রছাত্রীর জন্মদিন পালন করার উদ্যোগ গ্রহণ করলেন। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ও বেজায় খুব খুশি। জন্মদিনে, কেক কাটা লজেন্স, মিষ্টি ছাড়াও ছিল ভুরিভোজ খাওয়া খুব খুব খুশি ছাত্র-ছাত্রীরা।
ধুমধাম করে জন্মদিন পালন হবে সেটা কিন্তু জানতে দেওয়া হয়নি। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের। কেবলমাত্র শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ এই পরিকল্পনা করেন। এটা কিন্তু চমকে দেওয়ার মতো অনুষ্ঠান ছিল। স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা বলেন বছরে একদিন সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্মদিন পালন করা হবে । প্রতিমাসে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মদিন পালন করা হলে ভালো হতো কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না আর সেজন্যই আমরা সকলে মিলেই বৎসরের একদিন সকল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মদিন সেলিব্রেট আমরা করব। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের ভাবনা বেলুন বার্থডে সেলিব্রেশন এর জন্য মাইক লাইটের ব্যবস্থা করেন। সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের চমকে দেবেন। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা দেখেন স্কুল রুম গুলো সুন্দর সাজানো। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রধান শিক্ষিকা বার্থডে কেক এবং লজেন্স, মিষ্টি রেখেছিলেন। শিক্ষক-শিক্ষিকা গণ রেখেছিলেন আমি হোটেলের চিকেন বিরিয়ানি। এ ছাড়াও ছিল বিভিন্ন ধরনের খাবারের সমারহ। শিক্ষক শিক্ষিকা গণ ডেকে ছিলেন বেশকয়েকজন শুভানুধ্যায়ী মানুষজন দের।
সকলের বাড়িতেই ছেলেমেয়েদের মঙ্গল কামনা করে প্রদীপ দূর্বা আতপ চাউল মাথায় দিয়ে বড়রা আশীর্বাদ করেন, স্কুলেও এটা কোন ব্যতিক্রম হলো না। সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের চন্দনের ফোঁটা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আদরের স্পর্শে এবং কেক মিষ্টি সকলের হাতে তুলে দিলেন। সারা বছর স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী সহ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে নিয়ে মাঝেমধ্যেই মৌসুমের বিভিন্ন ফল কখনো বা মাছ মাংস খাওয়াতেন। সে অনুযায়ী স্কুলের শিক্ষক,শিক্ষিকাগণ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মদিনে চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ালেন। প্রতি বাড়িতেই ছেলেমেয়েদের জন্মদিন পালন হয়। কিন্তু তাদের জন্মদিন এভাবেই স্কুলে কেক লজেন্স বিভিন্ন খাওয়ারের পদ তৈরি করবে, সেটা কিন্তু ভাবতে পারেননি ছাত্র-ছাত্রীরা। অন্যান্য দিনের মতো স্কুল শুরু হয়েছিল আর কিছু সময়ের মধ্যেই স্কুলের ক্লাসরুম নিমেষেই বদলে ফেলেছিল স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা গন। ছাত্র-ছাত্রীরা ভাবছিলেন বছরে বিভিন্ন দিন সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় কিন্তু তাদের জন্মদিন পালন হবে সেটা কিন্তু কেউ ভাবতে পারেনি। স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সুপ্রিয়া দাস বলেন আমার স্নেহের ছাত্র-ছাত্রীদের ভিন্ন মাসে জন্মদিন প্রতিমাসে জন্মদিন পালন করা সম্ভব হয়ে ওঠেনা। সেই জন্য একই দিনেই তাদের জন্মদিন পালিত হবে। তাই সকল ছাত্র ছাত্রী স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা সহকর্মী সকলে মিলে আজকের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মদিন আয়োজন করাহয়েছে আমি সত্যিই আপ্লুত। আমার সহ কর্মী বন্ধুরা এই ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবকগণ অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করার জন্য আমি কৃতজ্ঞ ও আপ্লুত।আজ উপস্থিত ছিলেন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা চণ্ডী দাস, মৈত্রেয়ী দাস,তুহিনা পুরকাইত নস্কর, সৌরভ নায়েক, করুণা খাঁড়া পাল প্রমূখ। সংবাদ মাধ্যমের জানালেন প্রধান শিক্ষিকা সুপ্রিয়া দাস।


No comments