তাম্রলিপ্তের বেলাভূমিতে হলদিয়া বন্দর গঠনে সতীশচন্দ্র সামন্তের ভূমিকা
জয়দেব মালাকার
খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীর সূচনায় তাম্রলিপ্ত বন্দরের পত্তনের বারোশ বৎসরের ব্যবধানে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রাকৃতিক কারণে রূপনারায়ণ ও গঙ্গা…
তাম্রলিপ্তের বেলাভূমিতে হলদিয়া বন্দর গঠনে সতীশচন্দ্র সামন্তের ভূমিকা
জয়দেব মালাকার
খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীর সূচনায় তাম্রলিপ্ত বন্দরের পত্তনের বারোশ বৎসরের ব্যবধানে অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রাকৃতিক কারণে রূপনারায়ণ ও গঙ্গার সঙ্গমস্থলের পরিবর্তন ও বঙ্গোপসাগর পশ্চিমতীরের বেলাভূমি ক্রমে নাব্যতা হারিয়ে তাম্র লিপ্ত বন্দরের পতন ঘটে।
খৃষ্টীয় তৃতীয় শতকে এক প্রবল জলোচ্ছ্বাসে তাগুলিন্তের দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরের মধ্যে জেগে ওঠা বিস্তৃর্ণ বালির পাহাড় যা পরবর্তীকালে জলোচ্ছ্বাস ও সমুদ্র হতে জেগে ওঠা দ্বীপগুলি হিজলী, বাহারী ভাঁদি নামে পরিচিতি লাভ করে। বাহারীতে আন্তঃদেশীয় জলপথ বাণিজ্যকেন্দ্র গড়ে উঠলেও তা দীর্ঘ স্থায়িত্বলাভ করতে পারেনি। তবে পঞ্চদশ শতাব্দীতে হিজলী দ্বীপটি মা-পোর্তুগীজ দখলীভূত হয় এবং দাস ব্যবসার প্রধান কেন্দ্ররূপে গড়ে ওঠে। পরবর্তীকালে ১৫৮৬ থেকে হিজলী বন্দর আন্তজাতিক বন্দর রূপে সুখ্যাতি লাভ করে চাল, কাপাস, রেশমীবন্ত্র দক্ষিণভারতের নাগাপাট্রনম সহ সুমাত্রা, মালাক্কা বাণিজ্যের জন্য এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বহু অর্ণবপোত থেকে জাহাজ ভিড়ত খেজুরী বন্দরে। সেই হিজলীবশ্বর ১৬৮৭ সালে ১৫ জন স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
বন্দর ঐতিহ্যের তাগুলিপ্তর বেলাভূমিতে জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রজন উপলন্ধী করেছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী, তাঅলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক সতীশচন্দ্র সামন্ত।স্বাধীনোত্তর ভারতে দেশগঠনের অন্যতম কাণ্ডারী অজাতশত্রু সতীশচন্দ্র সামন্ত ভারতের সংসদ সদস্য হিসাবে নিজের স্থান করে নেওয়ার পর থেকে মেদিনীপুরের উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করেন। হুগলী নদীর তীরে কলকাতা বন্দরের ক্রমশ গভীরতা হ্রাস পাওয়ায় কলকাতা বন্দরের সহযোগী একটি বন্দরের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ১৯৫০ সালে পার্লামেন্টে উড়িষ্যার সাংসদ বিজু পট্টনায়ক পারাদ্বীপকে উন্নত করে কলকাতার বাণিজ্যিকে ব্যবস্থার গতিময়তার রক্ষার কথা উল্লেখ করেন। ঠিক এই সময়ে তমলুকের সাংসদ সতীশচন্দ্র সামন্ত কলকাতা বন্দরের সহযোগী বন্দর জন্য রূপনারায়ণ ও হুগলী নদীর সঙ্গমস্থল থেকে অনতিদূরে হলদি নদ যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে সেখানে একটি বন্দর গঠনের প্রস্তাব রাখেন। তদানীন্তন জাহাজমন্ত্রী রাজবাহাদুর সহ অনান্য সাংসদগণ সর্বত্যাগী সতীশচন্দ্রের প্রস্তাব অগ্রাহ্য করতে পারেননি। সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হলে হলদিয়ায় বন্দর পক্ষে নানা দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বিচার-বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য-অসম্ভাব্য বিষয়গুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ খুঁটিয়ে দেখে হলদিয়াকে উপযুক্ত স্থান নির্বাচিত করে। স্থান রূপে নির্বাচন কাজে বিশেষজ্ঞগণের সঙ্গে সতীশচন্দ্র সামস্ত বার বার জলা-জঙ্গল-খাড়ি হাঁটাপথে, কখনো বা নৌকায় হলদিয়া বন্দরের সুনির্দিষ্ট স্থান নির্বাচন করেন। ভারত সরকার সতীশচন্দ্র সামন্তের প্রস্তাবিত স্থান গ্রহণ করে নেয়।
১৩০৫৫ জনসংখ্যাবিশিষ্ট ৬৮টি গ্রাম (১৭.৬৬ বর্গমাইল) অধিগ্রহণের জনা ১৯৫৯ সালে ৫ই মে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারী ও স্পেশাল অফিসার চক্রবর্তী কলকাতা গেজেটে হলদিয়া প্রকল্পনাটি ঘোষণা করেন। গ্রামগুলি অধিগৃহীত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কলকাতা পোর্ট কমিশন উৎখাত পরিবারগুলির জন্য ১৯৬৩-৬৪ একটি পুনর্বাসন কলোনি গড়ে তোলে ২০০ একর জমির ওপর। প্রতি পরিবারকে ৬ ডেসিমল জমি বন্দোবস্ত করা হয়। অতঃপর হলদিয়ার পোর্ট অঞ্চলে হুগলী নদীর সম্মুখভাগে জলপ্রবাহের গতি নিরূপণের জন্য পোর্ট কমিশনার একটি হাইড্রোলিক স্টাডি ডিপার্টমেন্ট স্থাপন করেন। ১৯৬১ সালের ডিসেম্বর মাসে হলদিয়া পরিদর্শনে আসেন লন্ডন পোর্ট কর্তৃপক্ষের দু'জন উচ্চপদস্থ বিশেষজ্ঞ। এঁরা হলেন- মিঃ জি. এ. উইলসন এবং জি. টি. জনসন। বন্দর পরিকল্পনার একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরী করা হয়। পরিকল্পনা কমিটিতে ছিলেন পোর্ট কমিশনারর্স-র চিফ ইঞ্জিনিয়ার এবং তাদের কনসাল্টিং ইঞ্জিনিয়ার্স মেসার্স রেনডেল, পামার ও ট্রিটন এবং লন্ডন পোর্ট কর্তৃপক্ষের বিশেষভাগণ। অতঃপর সম্পূর্ণ পরিকল্পনাটি ভারত সরকার ও বিশ্বব্যাঙ্কের সুপারিশ সহ পাঠানো হয়।
এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করার জন্য চাই প্রচুর অর্থ। সেই অর্থের প্রয়োজন জমি অধিগ্রহণ, রাস্তা নির্মাণ, জল সরবাহ, বিদ্যুৎ, আবাসন নির্মাণ ছাড়াও অন্যান্য অত্যাবশ্যক যন্ত্রপাতির জন্য। সে সময় এসব অঞ্চলে যাতায়াতের কোন পথঘাট ছিল না। সবটাই জলাজমি অথচ জাতীয় সড়কের মত রাস্তা আশু দরকার। হলদিন। থেকে পাঁশকুড়া পর্যন্ত রেল রাস্তা দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের অংশ হিসেরে তৈরিরও। ভারত সরকারকে বলা হল এবং সেসব কাজে হাত দেওয়া হয়। তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পা এনাতে হলদিয়া পোর্টের কাজ শুরু হয়ে যায়। জমি অধিগ্রহণের কাজ ও ডক্ কাটা শুরু হল। তৈল জেটি নির্মাণ ও রাস্তাঘাট এবং আবাসন নির্মাণের কাজও।
কলকাতা থেকে জলপথে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে হলদি নদীর উত্তর তীরে এই বন্দর যে সহায়ক বন্দর হবে সে সম্পর্কে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ও প্রযুক্তিবিদ সহমত যাঁরা হয়েছিলেন তাঁরা হলেন; ফ্রেঞ্চ বন্দর বিশেষজ্ঞ প্রফেসর লরাস, রটারডম পোর্টের ডিরেক্ট জেনারেল মি: পোসথুম ও প্রফেসর জনসেন প্রমুখ হলদিয়াকে কলকাতা বন্দরের পরিপুরক হিসাবে হলদিয়া বন্দর নির্মাণের জন্য শুধু ভারত সরকার নয়, ১৯৬০ সালে বিশ্ব বাঙ্কের কাছ থেকেও অর্থঋণ হিসেবে নেওয়া হয়। অর্থনৈতিক ও পরিকল্পনাগত নানা সমস্যার উজান বেয়ে বাধা বিপত্তি কাটিয়ে ১৯৬৩ সালের ২৮ প্রত্যয়ন কবীর, পশ্চিমবঙ্গের
মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল চন্দ্র সেন, পোর্ট কমিশনার্স-এর চেয়ারম্যান বি.বি. ঘোষ এবং সংসদ সদস্য সতীশচন্দ্র সানস্ত হলনিয়া বন্দর পরিদর্শনে সরজমিনে এলেন। এখানে উল্লেখ করা অপ্রাসঙ্গিক হবে না যে সতীশ চন্দ্র সামন্তই ছিলেন এই সম্মেলনের মূল উদ্যোক্তা। উপরিউক্ত ব্যক্তিগণ ছাড়াও আরও যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের মধ্যে ছিলেন অজয়কুমার মুখার্জী, সুশীল কুমার ধাড়া, আভা মাইতি, ড. শ্যামাদাস ভট্টাচার্যা, সাংসদ বসন্তকুমার দাস, মহাতাব চাঁদ দাস আরও অন্যান্য লোকসভার সদস্য ও বিধানসভার সদস্য। এই উপলক্ষ্যে একটি বিরাট জনসমাবেশ হয়েছিল। অয়েল খানাপিনার ব্যবস্থাও ছিল। জনসভায় সভাপতিত্ব করলেন তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের সেচমন্ত্রী অজয় কুমার মুখার্জী।
জাহাজমন্ত্রী রাজবাহাদুর বলেন, 'এখানে হলদিয়া বন্দর হতে চলেছে, এ হল স্বর্ণখনি। স্থানীয় সাধারণ লোকদের রুজিরোজগারের বিভিন্ন পথ খুলে যাবে। পূর্ব ভারতের আর্থিক দুরবস্থার অবসান হবে। এই হলদিয়া বন্দর প্রতিষ্ঠার জন্য যিনি সর্বতোভাবে চেষ্টা করেছিলেন তিনি হলেন সামন্তবাবু। সেজন্য সতীশবাবুকে বলা যেতে পার 'ফাদার অফ হলদিয়া'।কলিকাতা পোর্ট কমিশনার্স-এর চেয়ারম্যান বি.বি. ঘোষ বলেন, হলদিয়া বন্দর শুধু কলকাতার পরিপুরক হবে না এটি হবে পূর্ণ ভারতের সিংহদ্বার। হুমায়ুন কবীর বলেন, এখানে তৈল শোধনাগার প্রতিষ্ঠার কোন বাধা হবে না। প্রারম্ভিক কাজকর্ম সমাধার জন্য কিছুটা সময় এজন্য প্রয়োজন। প্রফুল্ল সেনের তিনটি দাবী:
বন্দর প্রতিষ্ঠার সূচনা কালে প্রফুল্লচন্দ্রের অবদানও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তখন প্রফুল্লচন্দ্র সেন। হলদিয়া অনস্বীকার্য। তিনি হলদিয়া প্রকল্প নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তিনটি দাবী রেখেছিলেন। সেই দাবীগুলি হলো-১. ইস্পাত জাতীয় কারখানা, ২. তেল শোধনাগার, ৩ পেট্রো ক্যামিক্যাল। কেন্দ্রীয় সরকার দাবীগুলির বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং বন্দরের গতি আনয়নে ও বাস্তবায়িত করার জন্য ১৯৬৩ সালের শুরুতেই হলদিয়া-পাঁশকুড়া রেললাইনের জমি চিহ্নিত করা হয় এবং বারুনি-হলদিয়া পেট্রল পাইপ লাইন ১৯৬৩-৬৪ সালের মধ্যে শেষ করা হয়। এই পথে বারুনি তৈল শোধনাগার থেকে হলদিয়া পর্যন্ত পেট্রলের পাইপ লাইন বসে। ১৯৬৫ সালে হলদিয়ায় ওয়েল জেটির কাজ শুরু হয়। ১৯৬৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ঐ সঙ্গে প্রায় ৩০০ মাইল পাইপ লাইন বাকনি থোকে এই জোটর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করা হয়। ১৯৬৮ সালের আগস্ট মাসে এই জেটিতে প্রথম তৈলবাহী জাহাজ নোঙর করে মাল খালাস করে। ১৯৬৮ সাল থেকে হলদিয়া ডকে লকগেটের ডক-বার্থের মাটি কাটার কাজ শুরু হয়। এই কাজ সম্পন্ন করতে মাঝে মধ্যেই রাজনৈতিক, আর্থিক ও প্রশাসনিক বহু গোলমাল দেখা দেয়। অর্থের অভাব, সুযোগের অভাব, পরিবহণের অসুবিধা, লোকবল, যাতায়াতের অব্যবস্থা এবং বিদ্যুতের অভাব দেখা দেয়। কিন্তু প্রযুক্তিবিদদের মনোবল ভাঙেনি। নানা অসুবিধা অতিক্রম করে ১৯৬৩-৬৪ সালে বন্দরের কাজ শেষ হয়। ১৯৬৮ সালের আগষ্ট মাসে হলদিয়া বন্দরে প্রথম তৈলবাহী জাহাজ নোঙর করে মাল খালাস করে। সতীশ চন্দ্র সামন্তের স্বপ্নের হলদিয়া বন্দরে ক্রমে যেসব উন্নয়ন ঘটেছে তা হলো
১. খনিজ পদার্থবাহী জাহাজের জন্য ২. কয়লাবাহী জাহাজের জন্য ৩. রক ফসফেটবাহী জাহাজের জন্য ৪. ফিঙ্গার জেটি ৫. খাদ্যশষ্য ও সাধারণ মালবাহী ৬. বৃহৎ পরিমাণ ও পাত্রবাহী জাহাজের জন্য।
বন্দরের মধ্যে জাহাজ ঘোরাবার জন্য ১৮০০ ফুট পরিধি একটি গভীর জলাধার আছে একে টার্নিং মেশিন বলে। এখান থেকে ৮০ হাজার ডি ডব্লিউ টি ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ হলদিয়া বন্দরে ভিড়তে পারবে। এই জন্য এখানে বিশ্বের বৃহত্তম লকগেট তৈরি করা হয়েছে। এই লকগেটের বিস্তৃতির ৯৮৫ স্ক ১০০ বর্গগজ। ২৮,০২,৭৭তারিখে এই নতুন বন্দরে 'বিশ্ব বিজয়' নামক একটি জাহাজ প্রথম এসে ভিড়ে হলদিয়া। বন্দর প্রকল্পের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করে।
আন্তঃরাজ্য ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে খৃষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে তাম্রলিপ্ত বন্দর এবং তার উত্তরসূরীরূপে খেজুরী বন্দর ভারতের জলপথ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যে ইতিহাস ঐতিহ্য গড়ে তুলেছিল সম্প্রতি ১৯৬৮ সালের আগস্ট মাসে হলদিয়া বন্দরের জেটিতে তৈলবাহী জাহাজ প্রথম নোঙর ক'রে অশোধিত খালাস করে বন্দরের উষালগ্নের সূচনা করে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে হুগলী ও হলদি নদীর সংযোগস্থলে হলদিয়া তৈল শোধনাগারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম ও রাসায়নিক দপ্তরের মন্ত্রী ড. ত্রিগুণা সেন ১৯৬৯ সালের ৬ই ডিসেম্বর। ১৯৭৫ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে এই শোধনাগারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিয়ে মহিষাদলের প্রজ্ঞানানন্দ ভবনে একাকীত্বে বসে সর্বাধিনায়ক সতীশচন্দ্র সামন্ত তাঁর জীবৎদশায় হলদিয়া বন্দর ও হলদিয়া উন্নয়নের নানা পরিকাঠামো দেখে গিয়েছেন। সহায়ক গ্রন্থ।
১. হলদিয়ার ইতিকথা (দ্বিতীয় খণ্ড), বঙ্কিম ব্রহ্মচারী
২. সর্বাধিনায়ক, তাম্রলিপ্ত স্বাধীনতা সংগ্রাম ইতিহাস কমিটি
৩. সর্বাধিনায়ক সতীশচন্দ্র
রাধাকৃষ্ণ বাড়ী
৪. অবিভক্ত কাঁথি মহকুমার ইতিবৃত্ত, অমলেশ মিশ্র।
No comments