Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

হলদিয়া স্কুল গেটে ছাএ ছাএী দের বিক্ষোভ

চলতি বছর করোনাকালে হয়নি মাধ্যমিক  ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। মাধ্যমিকে ১০০% পাশের হার থাকার ফলে জেলাভিত্তিক পাশের হার ১০০% ছিল। উচ্চমাধ্যমিকে সার্বিক পাশের হার ৯৭.৬৯ শতাংশ। কোভিডের জন্য পরিক্ষা হয়নি।তবে নবম শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফল…

 






চলতি বছর করোনাকালে হয়নি মাধ্যমিক  ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। মাধ্যমিকে ১০০% পাশের হার থাকার ফলে জেলাভিত্তিক পাশের হার ১০০% ছিল। উচ্চমাধ্যমিকে সার্বিক পাশের হার ৯৭.৬৯ শতাংশ। কোভিডের জন্য পরিক্ষা হয়নি।তবে নবম শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফল এবং দশম শ্রেণীর অন্তর্বর্তী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পাশ করেছে। উচ্চ মাধ্যমিকে পূর্ব মেদিনীপুরে পাশ করেছে ৯৭.১৬%।

ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথেই দেখা যায় মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাসের হার ১০০%। যা ঐতিহাসিক ফলাফল বলেই মনে করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। পরীক্ষা না দিয়েই এমন ফলাফলে সর্বকালীন রেকর্ড তৈরি হলো রাজ্যে। এই সংখ্যাটা গত বছর ছিল ৮৬.৩৪ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরে এক লাফে পাশের হার পৌঁছালো ১০০ শতাংশে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন স্কুলের ফলাফল ভিন্নভাবে হওয়ার জন্য ছাত্র ছাত্রীদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। তারা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য উদগ্রীব কিন্তু রাজ্য সরকার পরীক্ষা না নিয়ে রেজাল্ট অসন্তুষ্ট বলে জানালেন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। হলদিয়া পৌরসভা ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাড়ঘাসীপুর হাই  স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা স্কুলে এসে স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে ভালো ব্যবহার পায়নি। স্কুলের রেজাল্ট নিয়ে অভিভাবক স্কুল ছাত্র ছাত্রী প্রতি অসন্তুষ্ট। বাড়ঘাসীপুর  স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার  রেজাল্ট অনেক ছাত্র-ছাত্রী কেন আসেনি সেই নিয়ে প্রশ্ন করলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক দুর্ব্যবহার করেছে বলে জানালেন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ। যেখানে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায়  পাসের হার ৯৭.১৬%

 ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। স্কুলে পরীক্ষা না হলেও পশ্চিমবঙ্গের মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীদের ২০২০- ২০২১ শিক্ষাবর্ষে অনেক ছাত্র-ছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে।  আজ স্কুলে প্রধান শিক্ষক ছাত্র ছাত্রীকে ডাকলেও প্রধান শিক্ষক নেই স্কুল বন্ধ। অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীরা তাদের রেজাল্ট কোথায় জানবে।তাদের আবেদন কোথায় জমা দেবে কিভাবে তারা আগামী বর্ষে পড়াশোনা চালাবে সেই নিয়ে তারা ধন্দে রয়েছে। তাদের দাবি কোভিড বিধি মেনে বাজার, হাট ,বাস, অফিস সবকিছু সচল। কভিড বিধি মেনে অন্য রাজ্যে পরীক্ষা হয়েছে কিন্তু আমাদের রাজ্যে পরীক্ষা হল না কিসের ভিত্তিতে রেজাল্ট? আমরা এই রেজাল্ট সন্তুষ্ট নই ।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি পরীক্ষার ব্যবস্থা করতো তাহলে হয়ত আমরা অনেক ভালো ফলাফল করতে পারতাম। যেখানে রাজ্য সরকার মাধ্যমিকে ১০০% ছাত্র-ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছেন ফলাফল ঘোষণা করেছেন সেখানে হলদিয়া পৌরসভার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বাড়ঘাসীপুর হাই স্কুলের কয়েকজন ছাত্র ছাত্রীর রেজাল্ট  আসেনি বলে অভিযোগ । এর দায় কার? ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে কোন সদুত্তর পায়নি। আজ স্কুল গেটের সামনে তারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। যদিও স্কুলের প্রধান অভিজিৎ পাইক শিক্ষকের ফোন করলে ফোনে পাওয়া যায়নি। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সূজান  খাতুন এবং উচ্চ মাধ্যমিকে মধুমিতা রায়,অঞ্জনা পাল । সংখ্যালঘু বাবা দিনমজুরের কাজ করেন কষ্ট করে মেয়েকে ক্লাস ফাইভ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াচ্ছেন। কোভিড এর জন্য স্কুল বন্ধ স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।নোটিশ জারি করেন অথবা কোন সময় তাদেরকে ডেকে সমস্ত রকমের পঠন-পাঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু মাধ্যমিক পরীক্ষা না হয়ে রেজাল্ট কি ভাবে হল। তাদেরকে জানানো হয়নি কোনোভাবেই। স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাদের নাম তালিকা পাঠিয়ে দেন কিন্তু ওই  ছাত্রীটি নাম পাঠানো হয়নি বলে হয়তো তার রেজাল্ট এলোনা? স্কুলের প্রধান শিক্ষককে আবেদন করেছিলেন আজ তাদের ডেকেছিলেন কিন্তু স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই স্কুল বন্ধ। উচ্চমাধ্যমিকে বেশ কয়েক জন ছাত্র-ছাত্রী তারা অকৃতকার্য হয়েছে বলে রেজাল্ট এসেছেন ।তাদের দাবি আমরা পরীক্ষা দিলে আরো ভালো রেজাল্ট করতাম। কারণ মাধ্যমিক এবং একাদশ শ্রেণীতে আমাদের ভালো রেজাল্ট করেছি। তাহলে কেন উচ্চমাধ্যমিকে আমাদের এই অকৃতকার্য প্রত্যেকেই দোষ দিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক এর জন্য দায়ী।

No comments