গত ১ মার্চ তমলুক থানার বল্লুক গ্রামের ৮০ বছর বয়সী একজন পান ব্যবসায়ীর শরীরে ধরা পড়ে করোনা ভাইরাস। যিনি ও তার পরিবার ব্যবসায়িক সূত্রে কলকাতা বড়বাজার এ থাকতেন। তমলুক এ বল্লুক এ গ্রামের বাড়িতে আসার পর অসুস্থ হয়েছিলেন।
এরপর দফায় দফা…
গত ১ মার্চ তমলুক থানার বল্লুক গ্রামের ৮০ বছর বয়সী একজন পান ব্যবসায়ীর শরীরে ধরা পড়ে করোনা ভাইরাস। যিনি ও তার পরিবার ব্যবসায়িক সূত্রে কলকাতা বড়বাজার এ থাকতেন। তমলুক এ বল্লুক এ গ্রামের বাড়িতে আসার পর অসুস্থ হয়েছিলেন।
এরপর দফায় দফায় ওই পরিবারের আরও কয়েকজন আক্রান্ত হয়।
পরে আক্রান্ত হন পাশের গ্রাম সাবলআড়া এর আরও দুই জন। যাদের মধ্যে বল্লুক গ্রামে ওই বৃদ্ধ ও সদ্য আক্রান্ত তার ভাই ভর্তি রয়েছেন কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ও বাকিরা রয়েছেন পাঁশকুড়ায় গড়ে ওঠা করোনা হাসপাতলে। এই ঘটনার পর ওই পরিবার গুলির সংস্পর্স তে আসা কিছু গ্রামবাসীকেও করেন্টাইনে পাঠানো হয় প্রশাসন এর তরফ থেকে। প্রশাসনিকভাবে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করা হয় এলাকায়।
গত বুধবার দমকলের তরফ থেকে সানিটাইজার স্প্রে ও করা হয়।
গতকাল এই গ্রাম দুটি পরিদর্শন এ যান পূর্ব মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক পার্থ ঘোষ, এসপি ইন্দিরা মুখার্জি সহ প্রশাসনিক আধিকারিক রা।
আজ প্রশাসন এর তরফ থেকেই এই দুটি গ্রাম কে সম্পুর্ন সিল করে দেওয়া হলো। গ্রামে ঢোকার সমস্ত রাস্তা ঘেরে দেওয়া রয়েছে এছাড়াও রয়েছে প্রশাসনিক নজরদারি। দুটি গ্রামের মানুষকে বাড়িতেই থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি বিশেষ ফোন নম্বর ও গ্রাম বাসীদের জানানো হয়েছে। কেউ কোনো অসুবিধায় পড়লে ওই দুটি নম্বরে ফোন করে জানাতে পারবে। মানুষের যাবতীয় প্রয়োজন এর সামগ্রী ঠেলা গাড়িতে বাড়ির কাছে পৌঁছে যাবে। সেখান থেকে এই দুই গ্রাম বাসীদের কিনতে হবে।
এছাড়াও জানা গেছে প্রশাসনের তরফ থেকে ড্রোন দিয়ে নজরদারি ও চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
তবে কিসের জন্য তড়িঘড়ি এতো বেবস্থা, মুখে কুলুপ এটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন।

No comments