৩৬ তম বর্ষে আমরা সবাই কোজাগরী উৎসব
আজ মহালক্ষীর আরাধনায় মেতেছে ভবানীপুর থানার অন্তর্গত কিসমত শিব রাম নগর আমরা সবাই সার্বজনীন কোজাগরী উৎসব ২৪ শে অক্টোবর থেকে ২৬ শে অক্টোবর পর্যন্ত বিশেষ কর্মসূচি তাদের মধ্যে রূপায়িত করার জন্য উদ্…
৩৬ তম বর্ষে আমরা সবাই কোজাগরী উৎসব
আজ মহালক্ষীর আরাধনায় মেতেছে ভবানীপুর থানার অন্তর্গত কিসমত শিব রাম নগর আমরা সবাই সার্বজনীন কোজাগরী উৎসব ২৪ শে অক্টোবর থেকে ২৬ শে অক্টোবর পর্যন্ত বিশেষ কর্মসূচি তাদের মধ্যে রূপায়িত করার জন্য উদ্যোগ দিয়েছেন। ২৪ শে অক্টোবর সুসজ্জিত মণ্ডপ শয্যায় প্রতিমা এলেন, ২৫শে অক্টোবর বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গের সমন্বয়ে মায়ের কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর মণ্ডপের এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের হাত ধরেই তার উপায়িত করেন।
আইসিডিএস ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে স্কুল ইউনিফর্ম এবং দুঃস্থ অসহায় ব্যক্তিদের হাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে মশারী বিতরণ এছাড়াও এলাকার সবুজ আয়ন করার জন্য চারা গাছ বিতরণ ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মন্ডপের উদ্বোধক বিশিষ্ট সমাজসেবী পলাশ দাস এবং স্বাগত দাস। উপস্থিত ছিলেন সৈকত জানা ডেপুটি ম্যানেজার অফ হিরন্ময়ী এনার্জি লিমিটেড , সম্পাদক হলদিয়া বন্দর পত্রিকা দুর্গাপদ মিশ্র, বিশিষ্ট সমাজসেবী বিদেশ মণ্ডল, মানস পট্টনায়ক, আইসিডিএস শিক্ষিকা ভবানী বায়েন মাইতি, বিশিষ্ট সমাজসেবী লক্ষণ চন্দ্র মন্ডল প্রমূখ।
আমরা সবাই কোজাগরি লক্ষ্মীপুজোর ৩৬ তম বর্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবারের চমক ছিল সমাজ বন্ধুদের সংবর্ধনা দেওয়া। জানা যায় ৮৫ বছরের লক্ষণ চন্দ্র মন্ডল প্রায় ৭০০ শবদাহ করেছেন। যখন বয়স ১৫ তখন থেকেই বাবা কাকা জেঠা মশাইদের সঙ্গে যেতেন শ্মশান যাত্রী হয়ে লক্ষ্মণ মন্ডল । তিনি বলেন গ্রামের বহু মানুষ পরলোকগমন করেছেন আমাদেরও একদিন চলে যেতে হবে সকল মায়া কাটিয়ে কিন্তু তাদের যাওয়ার সময়ে তাদের সঙ্গে যাত্রী ছিলাম। তাদেরকে পরলোকগত ভাবে হিন্দু প্রথা অনুযায়ী দাহ করে আমি নিজেকে ধন্য মনে করেছি। তিনি বলেন এলাকার বহু বয়জষ্ঠ অল্পবয়স্ক আমার হাত দিয়েই তাদেরকে শেষ যাত্রা সাক্ষী ছিলাম সেটা ভেবেও দুঃখ লাগে।
আজকের আমরা সবাই ক্লাব কোজাগরী লক্ষী পূজো ৩৬ তম বর্ষে পুজো কমিটি তারা তাদের এ বছরের পুজোতে আমাকে সম্মানিত করছেন সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ। সভায় সভাপতিত্ব করেন হলদিয়া বন্দর পত্রিকার সম্পাদক দূর্গাপদ মিশ্র
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রথম সংগীত পরিবেশন করেন প্রত্যুষা খাড়া, এসো মা লক্ষী..... তবলায় সংগত করেন শুকদেব দাস অধিকারী। এলাকার ছোট-বড় আবাল বৃদ্ধ বণিতা মায়েদের সঙ্গে নিয়ে চলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। আগামী কয়েক দিন ধরে চলবে বিভিন্ন সংস্কৃত অনুষ্ঠান। জানিয়েছেন পুজো কমিটির সভাপতি চন্দন মন্ডল, সম্পাদক তপন বেরা, কোষাধক্ষ্য মহাপ্রভু বেরা, ক্রীড়া সম্পাদক গোবিন্দ মন্ডল। কোজাগরী লক্ষ্মী পূজো কে কেন্দ্র করে কয়েকদিন ধরে চলবে আমরা সবাই পুজো মণ্ডপে বিশেষ অনুষ্ঠান। সভায় সঞ্চালনা করেন মহাপ্রভু বেরা।


No comments