নন্দীগ্রামের মাটি থেকে ‘পরিবর্তনের ডাক’! ২০০৭-এর স্মৃতি তুলে অধিকারী পরিবারের ভূমিকার কথা বললেন বিজেপি প্রার্থী হাসি রানী রথ
কালীচরণপুর ও গোকুলনগরের কর্মীসভায় ইতিহাস ও বর্তমান রাজনীতি নিয়ে সরব প্রার্থী“সূর্য যখন মধ্যগগনে, তখন নন্দ…
নন্দীগ্রামের মাটি থেকে ‘পরিবর্তনের ডাক’! ২০০৭-এর স্মৃতি তুলে অধিকারী পরিবারের ভূমিকার কথা বললেন বিজেপি প্রার্থী হাসি রানী রথ
কালীচরণপুর ও গোকুলনগরের কর্মীসভায় ইতিহাস ও বর্তমান রাজনীতি নিয়ে সরব প্রার্থী
“সূর্য যখন মধ্যগগনে, তখন নন্দীগ্রাম মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। নন্দীগ্রাম শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সারা ভারতবর্ষের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা এক অবিস্মরণীয় নাম।” — পূর্ব মেদিনীপুরের ২১০ নম্বর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কালীচরণপুর ও গোকুলনগরে আয়োজিত দুটি পৃথক রাজনৈতিক কর্মীসভা থেকে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি প্রার্থী হাসি রানী রথ।
এদিন নন্দীগ্রাম-১ নম্বর ব্লকের কালীচরণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাড়নাকচিরাচর এবং গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের তেখালিতে আয়োজিত রাজনৈতিক সভায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে তিনি নন্দীগ্রামের ঐতিহাসিক আন্দোলন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
২০০৭-এর স্মৃতি তুলে ধরলেন হাসি রানী
কর্মীসভায় ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে হাসি রানী রথ বলেন, “সালটা ২০০৭। আমরা কি কখনও ভুলতে পারব সেই রক্তঝরা দিনগুলোর স্মৃতিকথা?”
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেই সময় জমি রক্ষার আন্দোলন নন্দীগ্রামের গণ্ডি পেরিয়ে রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। নন্দীগ্রামের সেই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মানুষের ভূমিকা এবং সেই সময়কার রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
বক্তব্যের একপর্যায়ে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসে অধিকারী পরিবারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন বিজেপি প্রার্থী। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামের আন্দোলনের ইতিহাসে প্রবীণ নেতা শিশির অধিকারী এবং তাঁর পুত্র শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
নন্দীগ্রামের মানুষের সুখে-দুঃখে এই পরিবারের পাশে থাকার কথাও তিনি তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ২০০৭ সালের আন্দোলনের স্মৃতি থেকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ।
কর্মীসভায় হাসি রানী রথ রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন। তাঁর বক্তব্যে নন্দীগ্রামের অতীত আন্দোলন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং আগামী দিনের পরিবর্তনের প্রসঙ্গ উঠে আসে।
সভায় উপস্থিত দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি নন্দীগ্রামের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং আগামী দিনে রাজনৈতিকভাবে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
কালীচরণপুর ও গোকুলনগরের এই দুই কর্মীসভাকে ঘিরে স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

No comments